সময় কলকাতা ডেস্কঃ দিল্লির পর এবার অমৃতসর। সোমবার ভোর রাতে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল পাঞ্জাবের বেশ কিছু এলাকা। রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪.১। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি-র দেওয়া তথ্য অনুসারে এদিন ভোর ৩.৪২ মিনিট নাগাদ ভূমিকম্প হয়। ভূমিকম্পরে উৎসস্থল ছিল পাক পাঞ্জাব। অমৃতসর থেকে ১৪৫ কিলোমিটার পশ্চিম উত্তর-পশ্চিমে পাক পঞ্জাবে মাটির ১২০ কিলোমিটার গভীরে ছিল এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল। তবে এই ভূমিকম্পের জেরে কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলেই জানা গিয়েছে। এই নিয়ে গত কয়েক দিনে একাধিকবার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল উত্তর ভারত।

প্রসঙ্গত,শনিবার রাতে ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে রাজধানী। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৪। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল নেপাল বলেই জানা গিয়েছে। সুত্রের খবর,কম্পন অনুভূত হয় নয়ডা, গুরুগ্রামেও। তবে বড়সড় ক্ষতি কিংবা হতাহতের খবর নেই। দিল্লি ছাড়াও শনিবার রাতের কম্পন অনুভূত হয়েছে উত্তরাখণ্ড, হরিয়ানা ও উত্তরপ্রদেশের বেশ কয়েকটি অংশে। পাশাপাশি, নেপালের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ মন্ত্রক জানিয়েছে, বাজহাং জেলার পাতাদেওয়ালে রাত ৮ বেজে ১২ মিনিটে কম্পন অনুভূত হয়। প্রকৃত উৎসস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে।
উল্লেখ্য,এর আগে গত ৯ নভেম্বর অর্থাৎ বুধবার ভোররাতে ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে নেপাল। সূত্রের খবর, ২৪ ঘণ্টায় মোট তিনবার নেপালে কম্পন অনুভূত হয়েছিল। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি সূত্রে জানা গিয়েছে।মঙ্গলবার রাত ৯টা নাগাদ প্রথম ভুমিকম্প অনুভূত হয়। সেসময় রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৫.৬। এরপর ফের রাত ৯.৫৮ মিনিটে দ্বিতীয়বার কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৪.৪। তৃতীয়বার রাত ২টো নাগাদ ফের ভূমিকম্প হয়। এইসময় রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৬.৬।

আর এই ভূমিকম্পের জেরে মৃত্যু হয়েছিল ৬ জনের। একাধিক বাড়িও ভেঙ্গে পড়েছিল। সেসময়ও এই ভূমিকম্পের প্রভাব পড়েছে দিল্লিতেও। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তরফে জানানো হয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল নেপালের মণিপুরে। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে ছিল কেন্দ্রস্থল।


More Stories
নীতিশ জমানা শেষ, বিহারের সম্রাট নতুন মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর বুলডোজার মডেল
আশা ভোঁসলের হার্ট অ্যাটাক
মোদি ও বিজেপিকে খোঁচা : আগাম জামিন পেলেন নিয়ে নেহা সিং রাঠোর