সময় কলকাতা ডেস্কঃ বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে মানুষকে ভুল বোঝানোর অভিযোগ। স্বীকৃতি ছাড়াই তৈরি পণ্যকে ওষুধ বলে বিক্রি। এমনটাই বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে রামদেবের সংস্থা পতঞ্জলির পাঁচটি ‘ওষুধ’ তৈরি বন্ধ করার নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল উত্তরাখণ্ড সরকার। এবার সেই সিদ্ধান্তই রাতারাতি প্রত্যাহার করে নিল উত্তরাখণ্ড সরকার। উত্তরাখণ্ড প্রশাসনের তরফে ইতিমধ্যেই একটি বিবৃতি জারি করে জানানো হয়েছে,‘পতঞ্জলির পাঁচটি ওষুধ নিয়ে তাড়াহুড়ো করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। আপাতত এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হচ্ছে।’ তবে এই পাঁচ ওষুধের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হয়ে যাওয়ায় অনেকটাই স্বস্তি পেল রামদেবের পতঞ্জলি। যদিও এ বিষয়ে উত্তরাখণ্ড সরকারের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এমনকী এভাবে রাতারাতি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার নিয়ে ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিতও দিচ্ছেন অনেকেই।

উল্লেখ্য,শনিবারই উত্তরাখণ্ডের আয়ুর্বেদ ও ইউনানি লাইসেন্সিং অথরিটি সম্প্রতি দিব্যা ফার্মেসিকে বিভিন্ন ‘ওষুধ’ তৈরি বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। সংস্থাকে বলা হয়েছে, বিপিঘৃত, মধুঘৃত, থাইরোঘৃত, লিপিডোম এবং আইঘৃত গোল্ড ট্যাবলেটের উৎপাদন বন্ধ করতে। এই ওষুধগুলি পতঞ্জলি রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, গয়টার, গ্লুকোমা, উচ্চ কোলেস্টরেলের ওষুধ বলে বিক্রি করত। এই মর্মে বিজ্ঞাপনও দিয়েছিল।

জানা গিয়েছে, এই ওষুধগুলির প্রক্রিয়াকরণ এবং এর উপযোগিতা আসলে পরীক্ষিতই নয় বলে উত্তরাখণ্ডের আয়ুর্বেদ ও ইউনানি লাইসেন্সিং অথরিটি সূত্রের খবর। কেরলের এক চিকিৎসক পতঞ্জলির বিরুদ্ধে ওই অভিযোগ করেছিলেন। তার অভিযোগের ভিত্তিতেই পতঞ্জলির ওই ওষুধগুলির উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল উত্তরাখণ্ড সরকার। কার্যত সেকারণেই রামদেবের সংস্থাকে জানিয়েও দেওয়া হয়েছিল, এই ওষুধগুলির জন্য নতুন করে তাঁদের অনুমোদন নিতে হবে। তারপরই তারা এগুলি উৎপাদন করতে পারবে। এমনকী ওই ওষুধগুলির বিজ্ঞাপনও দ্রুত বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিল উত্তরাখণ্ড সরকার।


More Stories
শুভেন্দু -এনসিপিআই বৈঠক, তাৎপর্য কী?
দাতিয়ায় উপনির্বাচনে ধরাশায়ী বিজেপি, জয়ী কংগ্রেস
গুজরাটে মাঞ্জালপুরে বিজেপি জয়ী