সময় কলকাতা ডেস্ক,৭ জানুয়ারিঃ ফের অর্থনৈতিক সঙ্কটে পাকিস্তান। নতুন বছরের শুরুতেই লাগামছাড়া মুদ্রাস্ফীতিতে জেরবার পাকিস্তানের আম জনতা। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম ক্রমশ সাধারণের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।

সে দেশের সংবাদপত্রের সূত্রে জানা গিয়েছে, অনেক জায়গায় প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ২৫০ পাকিস্তানি রুপি থেকে ৩০০ পাকিস্তানি রুপি। প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১০০ পাকিস্তানি রুপি কেজি দরে। গড়ে ১ ডজন ডিমের দাম ৩০০ পাকিস্তানি রুপি থেকে ৩৫০ পাকিস্তানি রুপি। মুরগির মাংসের দাম বেড়ে হয়েছে কেজি প্রতি ৬৫০পাকিস্তানি রুপি। আশঙ্কা করা হচ্ছে এই দাম বেড়ে ৯০০ পাকিস্তানি রুপি থেকে ১০০০ পাকিস্তানি রুপি হতে পারে।

আলুর দাম কেজি প্রতি ৬০ পাকিস্তানি রুপি থেকে ৮০ পাকিস্তানি রুপি। এক লিটার দুধের দাম বেড়ে হয়েছে ২০০ পাকিস্তানি রুপি। মূল্যবৃদ্ধির কারণে খাদ্য দ্রব্যের পাশাপাশি জ্বালানির দামও আকাশ ছোঁয়া। পাকিস্তানে বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম ছুঁয়েছে ১০০০ পাকিস্তানি রুপি। আগামীদিনে খাদ্যের জ্বালানিতে টান পড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

পাকিস্তান ব্যুরো অফ স্ট্যাটিস্টিকসের সূত্রে জানা গিয়েছে ডিসেম্বর মাসে পাকিস্তানের মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ২৪.৫ শতাংশ। সাপ্তাহিক মূল্যবৃদ্ধি গত বছরের তুলনায় প্রায় ৩১% বেড়ে গিয়েছে। দরিদ্র তো বটেই, এমনকি মধ্যবিত্ত শ্রেণিও পাকিস্তানে ভয়াবহ সঙ্কটে পড়েছে। শুধু তাই নয় আকাল দেখা দিয়েছে বিদ্যুতেরও। পাকিস্তানের সরকারের পক্ষ থেকে ২০২৩ সালের জুলাই পর্যন্ত বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি উৎপাদন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিদ্যুৎ বাঁচাতে রাত সাড়ে 8টার পর সব বাজার বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গোদের উপর বিষফোঁড়া পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার। সেটিও তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। গত ডিসেম্বরে পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৫৯০ কোটি ডলার। যা গত আট-নয় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।


More Stories
বিশ্বকাপের নতুন মারাদোনা কে?
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ গোল্ডেন বুটের দৌড়, মেসির প্রতিদ্বন্দ্বী কে?
ভারত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির তুল্যমূল্য বিচার