সময় কলকাতা ডেস্ক, ৯ জানুয়ারিঃ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে কোনও এফআইআর দায়ের করা যাবে না। তাঁকে রক্ষাকবচ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। কার্যত সেকারণেই সোমবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাস বয়কট করা শুরু করেন আইনজীবীদের একাংশ। যদিও, কলকাতা হাইকোর্টের এই আইনজীবীরা তৃণমূলপন্থী বলে মনে করছেন অনেকেই।

সোমবার বিচারপতি ১৩ নম্বর এজলাসে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বসার কথা ছিল। দেখা যায়, একাংশ আইনজীবী দরজা আগলে রয়েছেন। তাঁরা বয়কট করার ডাক দিয়েছেন। এ নিয়ে আবার পাল্টা ফোঁস করেছেন কিছু আইনজীবী। যেমন, শুভেন্দু অধিকারী ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি এ ঘটনা নিয়ে টুইট করে কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রী কিরেণ রিজুজুর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে রায় দানে বিচারপতিকে বাধা দিচ্ছে তৃণমূল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে আদালত চত্বরে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য প্রধান বিচারপতির এজলাসে গিয়ে তীব্র নিন্দা প্রকাশ করে বলেন,‘বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতিকে ডেকে প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টে বিষয়টি তোলা হোক।’

অন্যদিকে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব গোটা ঘটনায় উষ্মা প্রকাশ করে বলেন, ‘এমনটা হওয়া উচিত নয়। সব তথ্যপ্রমাণ নিয়ে এলে বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতিকে ডেকে পাঠাবো। গোটা বিষয়টি আমরা দেখেছি।’ তারপরই প্রধান বিচারপতি বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এবং রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেলকে ডেকে পাঠান। সেখানেই তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘বিচারপতির এজলাস কী ভাবে বয়কট করা যেতে পারে?’


More Stories
শুভেন্দু মুখ্যমন্ত্রী , আর কী ঘোষণা অমিত শাহের?
কীভাবে ও কেন খু*ন শুভেন্দুর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে?
সরকার গঠন : রাজ্যপালের কাছে জমা পড়ল গেজেট নোটিফিকেশন