Home » ‘হাতেখড়ি’র পরই দিল্লি!দিল্লিতে কি নিয়ে হবে আলোচনা?

‘হাতেখড়ি’র পরই দিল্লি!দিল্লিতে কি নিয়ে হবে আলোচনা?

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৭ জানুয়ারি: সন্ধ্যে নামার আগেই শুরু হয়েছিল ‘হাতেখড়ি’ পর্ব।অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার কিছু পরেই, সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ জানা গেল বৃহস্পতিবার রাতেই দিল্লি যাচ্ছেন তিনি। কেউ কেউ বলেছেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ডাকে তাঁর এই দিল্লি যাত্রা। তাঁর হাতেখড়ি অনুষ্ঠান নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের জেরেই এই সফর বলে দাবি বিজেপি শিবিরের অনেকের। তবে কেউ কেউ বলছেন, রাজ্যপালের এই দিল্লি সফর পূর্ব নির্ধারিত।

দিল্লি যাত্রার আগে ‘হাতেখড়ি’ নিয়ে রাজনৈতিক তরজা

মমতা বন্দোপাধ্যায়ের থেকে ‘হাতেখড়ি’ নেবেন প্রাক্তন আইএএস অফিসার তথা রাজ্যের বর্তমান রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস,এই খবর চাউর হতেই রাজনৈতিক বাক্যবাণের ছবি দেখেছে এ রাজ্যের মানুষ।এই সৌজন্যতা মেনে নিতে পারেনি অনেকেই।রাজ্যের সাংবিধানিক প্রথা হয়ে দাড়িয়েছিল রাজনীতির প্রেক্ষাপট।পাশাপাশি সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যাক্তিদের রাজভবনে উপস্থিতি নিয়েও শুরু হয়েছিল রাজনৈতিক তরজা।আমন্ত্রণ পেয়েও রাজভবনের দ্বার এড়িয়েছেন রাজ্য়ের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।প্রথম থেকেই ধোঁয়াশা ছিল শাসকদলের নেতাদের সাথে একসারিতে দেখা যাবে কিনা শুভেন্দুকে ।বৃহস্পতিবার ট্যুইট করে সেই ধোঁয়াশা নিজেই স্পষ্ট করেছিলেন বিরোধী দলনেতা।ট্যুইটৈ বিরোধী দলনেতা লেখেন  রাজ্যপালের ‘ভালমানুষি’কে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করতে চাইছে রাজ্য সরকার। নবান্নের ‘দূত’ হিসাবে ‘কাজ’ করছেন রাজ্যপালের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি নন্দিনী চক্রবর্তী। এ ছাড়াও টাকার বিনিময়ে যখন চাকরি দেওয়ার কথা উঠে আসছে, তখন রাজ্যপালের ‘হাতেখড়ি’র অনুষ্ঠান দেখিয়ে ওই সব ইস্যু চাপা দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে।

রাজ্যপালের দিল্লি যাত্রার খবর আগে থেকেই জানে শুভেন্দু

বারবার শাসকদলের নেতারা অভিযোগ করেন,কেন্দ্রের যে কোনো সিদ্ধান্ত,সে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার গ্রেফতারিই হোক বা সরকারি কোনো সিদ্ধান্ত,রাজ্য সরকারের জ্ঞাতার্থে আসার আগেই,ক্যামেরার সামনে বলে দিচ্ছেন বিজেপি নেতারা।সেই অভিযোগে আরও একবার ঘি ফেললো শুভেন্দুর এই উক্তি।কলকাতায় অন্য একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে শুভেন্দু সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘জানি উনি রাতেই দিল্লি যাচ্ছেন। শুক্রবার রাজধানীতে ওঁর সঙ্গে অনেক বিশিষ্ট মানুষের দেখা ও কথা হবে।’’

কেন এই দিল্লি যাত্রা?

রাজ্যপালের সঙ্গে রাজ্যের সুসম্পর্ক যে কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না বিজেপি নেতারা,তা বিভিন্ন সভায় তাদের বক্তব্যতেই স্পষ্ট।এই সব বিতর্কের মধ্যেই রাজ্যপালের দিল্লি যাত্রা।তাতে নতুন রাজনৈতিক মাত্রা তৈরি হল। সরকারি ভাবে এখনও জানা যায়নি, তিনি কেন যাচ্ছেন বা কার সঙ্গে কথা বলতে যাচ্ছেন। ‘বিশিষ্ট মানুষদের সঙ্গে দেখা হবে’ বলে শুভেন্দু যে মন্তব্য করেছেন তার মধ্যে অবশ্য অনেকে অন্য ইঙ্গিত দেখছেন। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফেই এই তলব বলেই মনে করা হচ্ছে।

About Post Author