Home » নিউ গড়িয়া-বিমানবন্দর মেট্রোর জমিজট কাটাতে উদ্যোগী নবান্ন

নিউ গড়িয়া-বিমানবন্দর মেট্রোর জমিজট কাটাতে উদ্যোগী নবান্ন

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১১ মার্চ: জমিজটের কারণে দীর্ঘদিন ধরেই ঝুলে আছে নিউ গড়িয়া থেকে বিমানবন্দর (ভায়া রাজারহাট) মেট্রো প্রকল্প। রেলের পরিভাষায় যা অরেঞ্জ লাইন। এই মেট্রো প্রকল্প রেলওয়ে বিকাশ নিগম লিমিটেডের (আরভিএনএল) অধীনে হচ্ছে। কিন্তু ইএম বাইপাসে কয়েকটি জায়গায় জমিজটে কার্যত থমকে কাজ। এবার সমস্যা মেটাতে উদ্যোগী হল রাজ্য সরকার। শুক্রবারই কবি সুভাষ (নিউ গড়িয়া) থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত মেট্রো প্রকল্প নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। বৈঠকে আরভিএনএল কর্তৃপক্ষ ছাড়াও, কলকাতা মেট্রো, নির্মাণকারী সংস্থা, কেএমডিএ এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষই উপস্থিত ছিলেন। মেট্রো কর্তাদের আশা এবার জমিজট কাটিয়ে দ্রুত নির্মাণকাজ শেষ করা যাবে।

প্রসঙ্গত, নিউ গড়িয়া থেকে রুবি পর্যন্ত ৫.৪ কিলোমিটার অংশের পরিষেবা চলতি মাসেই শুরু হতে পারে। মেট্রো কর্তৃপক্ষ চাইছে, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে রুবি মোড়ের বদলে বেলেঘাটা পর্যন্ত বাণিজ্যিকভাবে মেট্রো পরিষেবা শুরু করতে। এরপর আগামী বছরের মধ্যে নিউ গড়িয়া-বিমানবন্দর মেট্রো করিডরকে আরও এগিয়ে সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তবে এই পথে বড় বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে জমিজট। সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত আরভিএনএলের হাতে মেট্রোপলিটন এবং চিংড়িঘাটা ক্রসিংয়ের কাছে কিছু অংশের জমি তুলে দেওয়া হয়নি। তার ফলে নির্মাণকাজ কার্যত থমকে আছে। আরভিএনএলের আশা শুক্রবারের বৈঠকে এই সমস্যা মিটে যাবে। জমি হাতে পেলেই দ্রুত ওই অংশের কাজ শেষ করা হবে বলেও ঠিক করা হয়েছে।

চলতি বাজেটেই নিউ গড়িয়া থেকে সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত (অরেঞ্জ লাইন) মেট্রো পরিষেবা চালু করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ওই দুই অংশের জমি হাতে না পাওয়ায় তা পিছিয়ে গিয়েছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে নির্মাণকারী সংস্থার হাত তুলে নিতে চাইছে বলেই খবর। মেট্রো কর্তাদের ধারণা, নিউ গড়িয়া থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত বাণিজ্যিক পরিষেবা চালু না হলে লাভের মুখ দেখা যাবে না। তাই দ্রুত জমি সংক্রান্ত সমস্যা মিটিয়ে কাজ শেষ করতে মরিয়া আরভিএনএল। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবারের বৈঠক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আরভিএনএলের কর্তাদের আশা, দ্রুত জমি হস্তান্তর সংক্রান্ত জট কেটে যাবে। সবপক্ষ ঐক্যমতে পৌঁছাবে। এবং দ্রুতই আরভিএনএলের হাতে মেট্রোপলিটন, চিংড়িঘাটা ক্রসিং এবং ভিআইপি বাজার তুলে দেওয়া হবে। যা লক্ষ্যমাত্রা পূরণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

About Post Author