Home » ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ টিমকে খোলা চিঠি পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রীর

‘দ্য কেরালা স্টোরি’ টিমকে খোলা চিঠি পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রীর

সময় কলকাতা ডেস্ক, ৭ মে: মুক্তির পরও ‘দ্য কেরল স্টোরি’ নিয়ে বিতর্ক লেগেই রয়েছে। এবার ‘দ্য কেরল স্টোরি’ নিয়ে মুখ খুললেন ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ ছবির পরিচালক। ‘দ্য কেরল স্টোরি’ ছবি নিয়ে টুইটারে খোলা চিঠি লিখলেন বিবেক অগ্নিহোত্রী। যাবতীয় বিতর্ক আর আইনি দ্বন্দ্ব কাটিয়ে বিগত ৫ মে মুক্তি পেয়েছে সুদীপ্ত সেন পরিচালিত ‘দ্য কেরালা স্টোরি’। ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ নিয়ে বিবেক অগ্নিহোত্রীর খোলা চিঠিতে প্রযোজক বিপুল শাহ, পরিচালক সুদীপ্ত সেন এবং লিড হিরোইন আদা শর্মার উদ্দেশ্যে লেখেন, ‘প্রথমেই এই সাহসী প্রচেষ্টার জন্য অভিনন্দন জানাই। তার সঙ্গে আপনাদের দুঃসংবাদ জানিয়ে রাখি, এখন থেকে আপনাদের জীবন সম্পূর্ণরূপে বদলে যাবে। এত ঘৃণা পাবেন ভাবতে পারবেন না। নিঃশ্বাস আটকে যাবে। ভাবনাচিন্তার শক্তি হারিয়ে ফেলবেন, মাঝে মধ্যে একা লাগবে। যখন তোমার মনে হবে কেও বুঝছে না, পাশে থাকছে না তখন রবিঠাকুরের গানের ‘একলা চলো রে…’ সেই বাণী মনে রেখো।


তিনি বলেছেন, ছেলেবেলা থেকেই জেনেছিলাম সিনেমা বাস্তব সমাজ ও মানসিকতা প্রতিফলিত হয়। নতুন বিশ্বাস গড়ে তোলে পুরনো বিশ্বাস ভেঙে। আবার অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়। পরিচালকের মতে, এই চিন্তাধারা সঠিক হলেও তা সবসময় সঠিকভাবে কার্যকর হয় না।  তিনি মনে করেন, ভারতে সিনেমা তৈরি করা অনেক কঠিন। এই প্রসঙ্গে, নিজের ‘বুদ্ধা ইন এ ট্রাফিক জ্যাম’, ‘দ্য তাশকেন্ত ফাইলস’ ও ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ ছবিগুলির উদাহরণ টেনে বলেন, ‘আমাকে শারীরিকভাবে, কাজের ক্ষেত্রে, সামাজিকভাবে, মানসিক দিক থেকে অনেক লাঞ্ছনার শিকার হতে হয়েছে।’ এমনকী তাঁকে আক্রমণ করা হচ্ছে তাঁর আগামী ছবি ‘দ্য ভ্যাকসিন ওয়ার’ নিয়েও বলে দাবি পরিচালকের।

আরও পড়ুন   নিম্নমুখী করোনার দৈনিক গ্রাফ

যদিও বিতর্ককে পাত্তা না দিয়ে প্রথমদিন বক্স অফিসে দুর্দান্ত ফল করেছে এই ছবি। ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ এখনও পর্যন্ত  ৮ কোটিরও  বেশি ব্যবসা হাঁকিয়েছে।  বিপুল শাহের প্রযোজনায় এই ছবিতে আদা শর্মা ছাড়াও দেখা যাচ্ছে যোগিতা বিহানি, সোনিয়া বালানি এবং সিদ্ধি আদানির। ছবির মূল গল্পে রয়েছে কেরালার হিন্দু ও খ্রিস্টান মেয়েদের ইসলাম ধর্মে এবং আইসিসএ যোগদান করানোর ঘটনা। কার্যত সেকারণেই ছবিটি মুক্তি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। তার অভিযোগ,’ এই ছবির মাধ্যমে কেরালার ধর্ম নিরপেক্ষ পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করছে।রাজনৈতিক হিংসা ও ইচ্ছাকৃতভাবে অশান্তি ছড়ানো হচ্ছে এই ছবির মাধ্যমে।’ এর আগে ছবিটির ট্রেলারে দেখানো হয়েছিল, কেরল থেকে ৩২ হাজার মহিলাকে ধর্ম পরিবর্তন করিয়ে নিয়ে সিরিয়া এবং আফগানিস্তানে আইএসআই-র প্রশিক্ষণ শিবিরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তারপর থেকেই দানা বাঁধে বিতর্কের।

About Post Author