সময় কলকাতা ডেস্ক,১ জুন : জুন মাসের প্রথম দিনটি বিশ্বজুড়ে দুগ্ধ দিবস হিসেবে পালিত হয়। দুগ্ধ দিবসে গরুর দুধের আলোচনা হবে না, তাও কি হয়? উল্লেখ্য,গরুর দুধের মধ্যে রয়েছে একাধিক গুণ। প্রায় সববয়সী মানুষের কাছে দুধ গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয় খাদ্য । আট থেকে আশি সকলের জন্যই দুধ খুব স্বাস্থ্যকর একটি পানীয়। প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই নিয়মিত দুধের ব্যবহার হয়।আর নিয়মিত গরুর দুধ খাওয়া শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। আর এই সব বিষয় সম্মন্ধে মানুষকে সচেতন করার উদ্দেশ্যই হল এই দুগ্ধ দিবস। দুগ্ধজাত বাজার বিশ্ব অর্থনীতিতে একটি বিশেষ ভূমিকার অধিকারী। ভারত হল পৃথিবীর সব থেকে বেশি দুগ্ধ উৎপাদক দেশ।
দুগ্ধ দিবসের ইতিহাস কি?
২০০১ সালের ১ লা জুন , জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা বিশ্ব দুগ্ধ দিবস চালু করে৷দুগ্ধ দিবসে বিশেষ লক্ষ্য ছিল পৃথিবীর সমস্ত মানুষকে দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার খাওয়ার প্রতি জন্য সচেতনতা বার্তা দেওয়া।বিশ্বের প্রায় ৪০টি দেশে এই দিনটি উদযাপিত হয়। এই দিন দুগ্ধ শিল্পের গুরুত্বকেও তুলে ধরা হয় ও কার্যক্রম আয়োজন করা হয়।
প্রত্যেক বছর এই দুগ্ধ দিবসে একটি নির্দিষ্ট থিম গ্রহণ করা হয়। 2023 কীভাবে পরিবেশগত সমস্ত দিক হ্রাস করছে এবং পুষ্টিকর খাবার, জীবিকা সরবরাহ করে, তা দেখানোর ওপর থিম টি গ্রহণ করেছে।নির্বাচিত কয়েকটি দেশ একসাথে এই বছর দুগ্ধ দিবস পালন করছে। কয়েক বছর যাবৎ এই দিবসটি বিশ্ব মানচিত্রে জায়গা করে নিয়েছে।
নারকেলের দুধ: নারকেলের শ্বাস থেকে দুধ তৈরি হয়। এই দুধ শরীরের জন্য অনেক উপকারী। ৪৫ ক্যালোরি এবং ৪ গ্রাম ফ্যাট রয়েছে এই নারকেলের দুধে। এই দুধে প্রোটিন নেই। এই দুধ নিয়মিত খেলে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায়। শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
চাল থেকে তৈরি দুধ: জানলে অবাক হবেন, চাল থেকে দুধ তৈরি হয়। এই তীব্র গরমে শরীর ক্লান্ত হয়ে গেলে ইনস্ট্যান্ট এনার্জি জোগাতে সাহায্য করে এই রাইস মিল্ক। এতে খুব সামান্য পরিমাণ ফ্যাট ও প্রোটিন রয়েছে। যা শরীরের জন্য খুবই উপকারী।
সোয়াবিন মিল্কেই কেল্লাফতে: সোয়াবিন তো অনেকেই খান। ছোটবেলায় বাড়ির বড়রা এই সোয়াবিনকে মাংসের বিকল্প হিসাবে খাওয়াতেন। সেই সোয়াবিন থেকেও আবার দুধ হয়। এতে রয়েছে এসেনসিয়াল অ্যামাইনো অ্যাসিডস। যা দেহে প্রোটিনের ঘাটতি মেটাতে সাহায্য করে। এছাড়াও এতে ফ্যাট বর্তমান। শরীরে পুষ্টির ঘাটতি মেটাতে দারুন সাহায্য করে এই সোয়াবিন মিল্ক।
আমন্ড মিল্কেই কামাল : আমন্ড সাধারনত একধরনের বাদাম। এটি থেকেও দুধ পাওয়া যায়। এই দুধে রয়েছে প্রাকৃতিক ভিটামিন ই।যা এক ধরণের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি দেহের সব ক্ষতিকারক পদার্থ বার করে দেহকে সুস্থ ও স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে।


More Stories
বাংলা নববর্ষের ইতিহাস
আরেক অভিনেতা প্রণবের অকালপ্রয়াণ
বেজি কি সাপের বিষে কাবু হয় না?