Home » দিল্লিতে এনডিএ বৈঠক,উপস্থিত থাকবেন এনডিএ-র শরিক ২৪টি দলের প্রতিনিধিরা

দিল্লিতে এনডিএ বৈঠক,উপস্থিত থাকবেন এনডিএ-র শরিক ২৪টি দলের প্রতিনিধিরা

সময় কলকাতা ডেস্ক,১৭ জুলাইঃ পাখির চোখ ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচন। তার আগে সোমবার বেঙ্গালুরুতে শুরু হচ্ছে বিরোধী শিবিরের জোট প্রক্রিয়ার দ্বিতীয় বৈঠক। পাটনায় প্রথম বৈঠকে যোগ দেওয়া ১৬ দলের সঙ্গে আরও আটটি দল এই বৈঠকে থাকছে। এদিকে, বিরোধীরা যখন তাদের শক্তি ক্রমশ বাড়াচ্ছে, পাল্টা শক্তি দেখাতে মাঠে নেমে পড়েছে কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন এনডিএ জোটও। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার দিল্লিতিতে  এনডিএ  বৈঠকে ২৪ শরিক দলের পাশাপাশি আরও  ছ’টি দল যোগ দেবে। মঙ্গলবার বিকেলে নয়াদিল্লির অশোক হোটেলে এনডিএ বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। বর্তমানে এনডিএ-র শরিক ২৪টি দলের প্রতিনিধিরা বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন।

এছাড়াও, বৈঠকে যোগ দেবে এনসিপির অজিত পাওয়ার গোষ্ঠী, লোক জনশক্তি পার্টি, হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চা, রাষ্ট্রীয় লোক সমতা পার্টি, বিকাশশীল ইনসান পার্টি এবং সুহেলদেব ভারতীয় সমাজ পার্টি। বিহার থেকে যোগ দেবেন চার নেতা –লোক জনশক্তি পার্টির চিরাগ পাসওয়ান, হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চার জিতনরাম মাঝি, রাষ্ট্রীয় লোক সমতা পার্টির উপেন্দ্র সিং কুশওয়াহা এবং বিকাশশীল ইনসান পার্টির মুকেশ সাহনি। রবিবারই সপা-র জোট ছেড়ে এনডিএ-তে যোগ দিয়েছে ওমপ্রকাশ রাজভরের সুহেলদেব ভারতীয় সমাজ পার্টি। বিরোধীরা যেমন বেঙ্গালুরুর বৈঠকে তাদের নিজ-নিজ রাজনৈতিক অবস্থান থেকে পারস্পরিক বিরোধ মেটানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে, তেমনই বিজেপি তাদের জোটে নতুন ও পুরনো শরিকদের টানতে চাইছে।শরিকের হিসাবে বিরোধীদের ২৪-কে টেক্কা দিয়ে বিজেপি ৩০টি দলকে এক টেবিলে আনতে চাইছে।

আরও পড়ুন      বিরোধী মহাজোটের দ্বিতীয় হাইভোল্টেজ বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লি যাচ্ছেন মমতা-অভিষেক

এদিকে,মঙ্গলবার বেঙ্গালুরুতে বিরোধী দলগুলির দ্বিতীয় হাইভোল্টেজ বৈঠকে যোগ দিচ্ছে আম আদমি পার্টি। রবিবার বিকালেই আপ নেতা রাঘব চাড্ডা ঘোষণা করেছেন, দলীয় প্রধান তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল-সহ দলের শীর্ষ নেতৃত্ব নৈশ ভোজ এবং বৈঠকে অংশ নেবে। বিরোধীদের পাটনা বৈঠকের আগেই আপ বিজেপি বিরোধী সব দলকেই সংসদে অর্ডিন্যান্সের বিরোধিতার জন্য রাজি করায়। কিন্তু কংগ্রেসের দিল্লি ও পাঞ্জাবের নেতারা কোনোভাবেই আপের দাবি মানতে রাজি ছিলেন না। কারণ, ওই দুই রাজ্যে আপই কংগ্রেসের মূল প্রতিপক্ষ। এই চাপের পরিস্থিতিতেই ময়দানে নামেন নীতীশ কুমার ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুই নেতৃত্বই কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বকে বোঝান যে দিল্লি অধ্যাদেশ নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট না করলে বিরোধী জোট দিল্লি-পঞ্জাবের মধ্য়েই সীমাবদ্ধ হয়ে থাকবে। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে মল্লিকার্জুন খাড়্গেকে ফোন করেন এবং কংগ্রেসকে দিল্লি অধ্যাদেশ নিয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়ার পরামর্শ দেন। এরপরই রবিবার আম আদমি পার্টির তরফে জানানো হয়, তারা ১৭ এবং ১৮ জুলাই বেঙ্গালুরুতে বিরোধী জোটের বৈঠকে যোগ দেবেন।

About Post Author