সময় কলকাতা ডেস্ক, ৭ আগস্ট : প্রকৃতি না বাঁচলে মানুষের অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে উঠবে। আর অনেক ক্ষেত্রে হচ্ছেও তাই।একদিকে প্রাকৃতিক বিপর্যয়, অন্যদিকে চোরা কারবারিদের কোপ। এই দুইয়ের কোপে ক্রমশ গরিমা হারাচ্ছে সুন্দরবন।ভূমিক্ষয় ক্রমশ গ্রাস করছে গোটা এলাকাকে। পরিবেশ রক্ষায় আগেই উদ্যোগী ছিল বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। এদের মধ্যে পূর্বাশা সোসাইটির প্রয়াস ছিল ধারাবাহিক। এবার এই সংস্থার সাথে হাতে হাত মিলিয়ে এগিয়ে এলেন এক ঝাঁক ইঞ্জিনিয়ার যাদের পেশাদারী জীবন কেটেছে বন্দরে বন্দরে। তাঁরা অনেকেই দেশে ফিরে পরিবেশ ও সমাজের সেবায় নিজেদের উৎসর্গ করেছেন। জীবকুল তথা পরিবেশকে বাঁচাতে এবার তাঁরা বিশেষ উদ্যোগী। ম্যানগ্রোভ রোপণের মাধ্যমে তাই পরিবেশ বাঁচাতে তাঁরা সুন্দরবনে ম্যানগ্রোভ রোপণ করছেন। গাছ না থাকলে পরিবেশের পাশাপাশি জীবকুল হবে বিপন্ন। পূর্বাঞ্চলীয় মেরিন ইঞ্জিনিয়র অ্যাসোসিয়েশন ও পূর্বাশা সোসাইটির সুদূরপ্রসারী দৃষ্টিপথে এখন ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট বাঁচিয়ে রাখা, বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের নিয়ে রবিবার চলল সুন্দরবনে বৃক্ষরোপণ ।
আদতে হয়েছে কী? কার্য ও কারণ কী? Pসুন্দরবন মানেই প্রাকৃতিক সম্পদ, প্রাকৃতিক দৃশ্য, অক্সিজেনে ভরপুর বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অরণ্য । পৃথিবীর সব থেকে বড় ম্যানগ্রোভ অরণ্যে যেমন থাবা বসিয়েছে প্রাকৃতিক বিপর্যয় তেমনই থাবা বসিয়েছে চোরা শিকারীরাও। সুন্দরবনে ম্যানগ্রোভের সংখ্যা কমে যাওয়া নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছেন বহু পরিবেশবিদ। তাই সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় ম্যানগ্রোভ গাছের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য উদ্যোগ নিয়েছেন একাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।রবিবার পূর্বাঞ্চনীয় মেরিন ইঞ্জিয়ানার্স অ্যাসোসিয়েশন, ও পূর্বাশা সোসাইটির, বিশ্বউগ্যোগে সুন্দরবন এলাকায় ম্যানগ্রোভ বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।এই কাজে সংগঠনের সদস্যরা ভূগোল বিভাগের পড়ুয়াদের কাজে লাগিয়েছে। প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় ম্যানগ্রোভ রোপণ করতে পেরে খুশি পড়ুয়ারা।

গাছ লাগানোর কাজে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলির পাশাপাশি হাত লাগান সুন্দরবন এলাকার মহিলারাও।তাঁরা নদীর পাড় বাঁচাতে কাদায় নেমে ম্যানগ্রোভের চারা লাগানোর জন্য স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য ও কলেজ পড়ুয়াদের সঙ্গে কাজে হাত লাগান।স্থানীয় মহিলাদের হাতে উপহার তুলে দেন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা। উপহার পেয়ে খুশি এলাকার মহিলারা।
সুন্দরবনকে বাঁচাতে রাজ্য সরকার ম্যানগ্রোভ বসানোর জন্য উদ্যোগ নিয়েছে।পাশাপাশি বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এই কাজে এগিয়ে আসায় খুশি ম্যানগ্রোভ ম্যান হিসাবে পরিচত স্থানীয়রা।উষ্ণায়ণের ফলে ক্রমশ বাড়ছে নদীর জল।তলিয়ে যাচ্ছে সুন্দরবন এলাকার স্থলভূমি।তাই ভবিষ্যত প্রজন্মকে বাঁচাতে সরকারের পাশাপাশি এগিয়ে আসতে হবে প্রতিটি শ্রেণির মানুষকে। পূর্বাঞ্চলীয় মেরিন ইঞ্জিনিয়ার্স ও পূর্বাশা হয়ে উঠছে পথপ্রদর্শক।।
আরও পড়ুন :মার্কিন লিগে মেসি ম্যাজিক, ৩ গোলে পিছিয়ে সমতায় ফিরল মায়ামি


More Stories
মৃত্যু বেড়ে ২৩৫, ভূকম্পে তছনছ ভেনেজুয়েলার ধ্বংসস্তূপে অসহায় জীবকুল
ভূমিকম্প কলকাতা ও উত্তর চব্বিশ পরগনায়
পাখির সংখ্যা কমছে জেলায়