Home » বিডিও শঙ্খদীপ দাসের পরে জেনারেল অবজারভার সুহাস কৃষ্ণা দিওয়াসে , আবার প্রশাসনিক রদবদল ধূপগুড়িতে

বিডিও শঙ্খদীপ দাসের পরে জেনারেল অবজারভার সুহাস কৃষ্ণা দিওয়াসে , আবার প্রশাসনিক রদবদল ধূপগুড়িতে

সানি রায়,সময় কলকাতা, ২১ আগস্ট : উপনির্বাচনের আগে ধূপগুড়িতে আবার একটি প্রশাসনিক রদবদল।বদলি হলেন সুহাস কৃষ্ণা দিওয়াসে। ধূপগুড়িতে পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘিরে একাধিক অভিযোগ ছিল। বিডিও শঙ্খদীপ দাসকে ডেকে তিরস্কার করেন বিচারপতি। উপনির্বাচনের ক’দিন আগে বিডিওর পর এবার ধূপগুড়ির জেনারেল অবজারভারকে বদলি করা হল।উপনির্বাচনের ঠিক আগে জেনারেল অবজারভারের দায়িত্বে থাকা সুহাস কৃষ্ণা দিওয়াসেকে বদলি করা হল। ধূপগুড়ির বিডিও শঙ্খদীপ দাস ও জেনারেল অবসার্ভার সুহাস কৃষ্ণা দিওয়াসের বদলির কারণ যদিও এখনও স্পষ্ট নয়।

ধূপগুড়িতে গণনা কেন্দ্রের বাইরে ব্যালট পাওয়ার পরে বিডিওর বিরুদ্ধে তাঁর বিরুদ্ধে রুজু মামলা চলাকালীন কার্যত আষাঢ়ে গল্প শোনানোর জন্য বিডিওর বিরুদ্ধে মামলা চলাকালীন তাঁকে ভর্ৎসনা করেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি ব্লকের সাকোয়াঝোরা ২ গ্রামপঞ্চায়েতের সোনাখালি ১৫/২০৮ বুথে ভোটে কারচুপির অভিযোগ ওঠে। ভোটগ্রহণের পর ভোট কেন্দ্রের বাইরে বেশ কিছু ব্যালট উদ্ধার হয় এবং বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী শেহনাজ পারভিন, যার জেরে শঙ্খদীপ দাসকে তলব করেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।ভোটের পর ব্যালট বাইরে কীভাবে জানতে চান বিচারপতি। তিনি যে যুক্তি খাড়া করেছিলেন তার ফলশ্রুতি হিসেবে বিচারপতির ভর্ৎসনার মুখে পড়েন।তবে তিনি শেষপর্যন্ত ক্লিনচিট পেয়ে যান। যদিও তাঁকে বদলি করা হয়।

এদিকে ধূপগুড়ি বিধানসভার উপনির্বাচনের দেরি নয় । আগামী ৫ সেপ্টেম্বর উপনির্বাচন ধূপগুড়িতে। এরকম আবহে তিনদিন আগে বিডিওকে বদলি করে দেওয়ার পরে বদলি করা হল নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা জেনারেল অবজারভারকে। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ধূপগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে জেনারেল অবজারভার হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন সুহাস কৃষ্ণা দিওয়াসে। তাঁর বদলে এই পদে আসছেন কৈলাশ সুখদেব পাখাড়ে। তবে কী কারণে এই বদলি, তা নিয়ে প্রশাসনিক সূত্রে কিছু জানা যায়নি। এই বিষয়ে জলপাইগুড়ির জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা বসুর সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি ফোন না ধরায় কিছু জানা যায়নি।

ধূপগুড়ির বিডিও শঙখদীপ দাসের বিরুদ্ধে পঞ্চায়েত নির্বাচনে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। তার পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টে তাঁকে তলব করা হয়। হাইকোর্টে মামলার নিষ্পত্তি হয়ে যাওয়ায় বিডিওকে ক্লিনচিটও দেওয়া হয়। তবে ঠিক তারপরই বিডিওকে বদলি করা হয়। এনিয়ে জল্পনা ছড়ালেও জলপাইগুড়ি জেলাশাসক মৌমিতা গোদরা দাবি করেন, এটা একেবারেই রুটিন বদলি। এবার জেনারেল অবজারভারকে বদলি করা হল। যদিও কারণ অস্পষ্ট।

About Post Author