স্পোর্টস ডেস্ক, সময় কলকাতা, ২৭ অক্টোবর: ফুটবলে লজ্জার দিন ভারতের। এএফসি আয়োজিত মহিলাদের অলিম্পিক্সের বাছাই পর্বে বড় ব্যবধানে হার ভারতের। ভারতের মেয়েরা ৭-০ গোলে হারল জাপানের বিরুদ্ধে। উজবেকিস্তানের তাসখন্দের লোকোমোটিভ স্টেডিয়ামে এদিন জাপানের সামনে কোনওরকম প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি ভারতীয় মহিলা ফুটবল দল।
আরও পড়ুন ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্ন মামলায় অস্বস্তিতে মহুয়া, এথিক্স কমিটির স্ক্যানারে মহুয়ার বিদেশ সফর

একদিকে যখন বিশ্বকাপ চলছে। তখন ফুটবলে ফের লজ্জার মুখ দেখল ভারত। তাসখন্দের লোকোমোটিভ স্টেডিয়ামে জাপানের মুখোমুখি হয় ভারতের মেয়েরা। শক্তিশালী জাপানের বিরুদ্ধে রক্ষণকে মজবুত রেখেই দল সাজিয়েছিলেন ভারতের কোচ থমাস ডেনেব্রি। যদিও তার প্রভাব খেলায় দেখা যায়নি। মাঝমাঠে ছন্নছাড়া ফুটবল খেলেন ভারতের মেয়েরা। সেই সুযোগে একের পর এক গোল করে যায় জাপান। প্রথমার্ধে যদিও ১ টি মাত্র গোল হজম করতে হয় ভারতকে। কারণ এই অর্ধে ভারতের হয়ে তুল্যমূল্য লড়াই করলেন আশালতা দেবী, সুইটি দেবী, রিতু রানীরা। খেলার ১৭ মিনিটে জাপানের হয়ে ওই গোলটি করেন ইয়োসিনো নাকাশিমা। প্রথমার্ধে আর কোনও গোল হয়নি।
আরও পড়ুন আপনার পর্যবেক্ষণ শক্তি কি প্রখর? ১০ সেকেন্ডের মধ্যে ৪ টি পার্থক্য খুঁজে বের করুন

দ্বিতীয়ার্ধে নিজদের শক্তি প্রদর্শন করল জাপান। প্রথমার্ধে যে লড়াই ভারতের মেয়েদের মধ্যে দেখা গিয়েছিল তা উধাও হয়ে গেল দ্বিতীয়ার্ধে। অনেকটাই ক্লান্ত মনে হচ্ছিল ভারতের মেয়েদের। বিরতির পর খেলা শুরু হওয়ার ১১ মিনিটের মধ্যে গোল হজম করতে থাকে ভারত। নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন সেই ইয়োসিনো নাকাশিমা। তৃতীয় গোলটি আসে হোনোকা হায়াসির পা থেকে। চার নম্বর গোলটি করেন মিনা তনাকা। খেলার ৫৬ মিনিটে জাপানের হয়ে পঞ্চম গোলটি করেন মিয়াবি মরিয়া। পাঁচ শুন্য ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েও আগ্রাসী ফুটবল বজায় রাখে জাপান। ভারতের গোলের তলায় বেশ কয়েকবার দুর্ভেদ্য হয়ে ওঠেন ভারতের গোলরক্ষক শ্রেয়া হুডা। নাহলে ভারতের লজ্জা আরও বাড়তে পারত। জাপানের হয়ে ষষ্ঠ গোলটি করেন কিকো সেইকে। লজ্জার সাত নম্বর গোলটি করেন হিকারু নাওমোতো।


More Stories
লালহলুদের ইলিশ উৎসব ধূপগুড়িতে
আকিব নবীর হয়ে সরব বেঙ্গসরকার, তাঁর দাবি ঘরোয়া ক্রিকেট বন্ধ করে দেওয়া হোক
প্লে-অফে যেতে হলে কেকেআর-কে কী করতে হবে? কলকাতার সামনে কোন পথ খোলা?