Home » ইডি দফতরে হাজির জ্যোতিপ্রিয়-কন্যা প্রিয়দর্শিনী মল্লিক

ইডি দফতরে হাজির জ্যোতিপ্রিয়-কন্যা প্রিয়দর্শিনী মল্লিক

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৯ অক্টোবরঃ রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে তদন্ত যত এগোচ্ছে ততই যেন ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য। রেশন দুর্নীতি মামলায় শুক্রবারই গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। গ্রেফতারির পর ইতিমধ্যেই বনমন্ত্রীর ১৬ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। এবার রেশন দুর্নীতি মামলায় সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিলেন বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের কন্যা প্রিয়দর্শিনী মল্লিক। এদিন নির্ধারিত সময়ের আগেই বেশকিছু নথি হাতে নিয়ে ইডি দফতরে হাজিরা দেন। তবে ইডি দফতরে খুব কম সময়ই ছিলেন প্রিয়দর্শিনী। এদিন সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকরা জ্যোতিপ্রিয়-কন্যাকে প্রশ্ন করলে তিনি কোন উত্তর না দিয়েই গাড়িতে উঠে যান।

আরও পড়ুন   রেশন দুর্নীতি মামলায় ১১ নভেম্বর পর্যন্ত বাকিবুরের জেল হেফাজতের নির্দেশ

ইতিমধ্যেই জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা দুটি কোম্পানির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে। দু’টি কোম্পানি বাঁকুড়ার ঠিকানায় রেজিস্টার্ড বলেই জানা গিয়েছে। শুক্রবারই জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের আপ্তসহায়ক অমিত ইডিকে জানিয়েছিলেন, ওই সংস্থা দুটি থেকে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নির্দেশে ২০ কোটি টাকা সরানো হয়েছিল। এরপরই দুটি কোম্পানির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে ১৬ কোটি টাকা ফ্রিজ করে ইডি। রেশন দুর্নীতির তদন্তে গতি বাড়াতে ইতিমধ্যেই জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ঘনিষ্ঠ ২০টিরও বেশি মোবাইল বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। এই মোবাইলগুলি যেমন বনমন্ত্রী ঘনিষ্ঠদের রয়েছে, তেমনই বাকিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠদেরও মোবাইলও রয়েছে। ইতিমধ্যেই ওই মোবাইল ডি-কোড করে তথ্যের সন্ধান শুরু করছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। এই মোবাইলগুলির মধ্যেই রেশন দুর্নীতির সমস্ত তথ্য লুকিয়ে রয়েছে বলেই দাবি ইডির।

আরও পড়ুন   কাজাখস্তানে কয়লার খনিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, মৃত কমপক্ষে ৩২

এদিকে, শনিবার রেশন বণ্টন দুর্নীতিতে গ্রেফতার হওয়া বাকিবুর রহমানের ইডি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হয়েছে। যেহেতু এখনও মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে জেরা করতে পারেনি ইডি, তাই তদন্তের স্বার্থে এখনও বাকিবুরকেও জেরার প্রয়োজনীতা রয়েছে বলে মনে করেছে ইডি আধিকারিকরা। তাই জেলে বাকিবুর রহমানকে জেরা করার অনুমতি চাইল ইডি। সেই আবেদন মঞ্জুরও করে আদালত। সূত্রের খবর, জেল হেফাজতে গিয়ে বাকিবুরকে জেরা করতে হবে সেই কারণে তাঁর বয়ান রেকর্ড করারও প্রয়োজন আছে। আর বয়ান রেকর্ড করতে গেলে ল্যাপটপ সহ ডিজিটাল ডিভাইসের প্রয়োজন। এই সকল ডিজিটাল ডিভাইস ও প্রয়োজনীয় ল্যাপটপ জেলে নিয়ে যেতে পারবেন গোয়েন্দারা।

About Post Author