Home » আবগারি দুর্নীতি মামলায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে তলব ইডির

আবগারি দুর্নীতি মামলায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে তলব ইডির

সময় কলকাতা ডেস্ক, ৩১ অক্টোবর: আবগারি দুর্নীতি মামলায় এবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে তলব করল ইডি। আগামী ২ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার তাঁকে ইডির সদর দফতরে তলব করা হয়েছে। আবগারি দুর্নীতি মামলায় এর আগে দিল্লির প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া এবং আপের রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিং-কে গ্রেফতার করেছে ইডি। আপ সাংসদ সঞ্জয় সিং-কে জেরা করে ইতিমধ্যেই নতুন কিছু তথ্য পেয়েছে ইডি। গত ৪ অক্টোবর এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তার বাসভবনে তল্লাশির পর তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে এই নতুন তথ্যগুলির ভিত্তিতে প্রশ্ন করা হবে। বেশ কিছু বিষয়ের স্পষ্টতা চাওয়া হবে। এর আগে গত ১৬ এপ্রিল দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে এই মামলায় নয় ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে জেরা করেছিল সিবিআই। এবার ইডির তলবের মুখে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। 

আরও পড়ুন   আপনার পর্যবেক্ষণ শক্তি ফেলুদা বা ব্যোমকেশের মত প্রখর? ১০ সেকেন্ডের মধ্যে ৩ টি পার্থক্য খুঁজে বের করুন

এদিকে, দিল্লি আবগারি দুর্নীতি মামলায় সোমবারই উপ-মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয় শীর্ষ আদালত। আগামী ছয় থেকে আট মাসের মধ্যে বিচার প্রক্রিয়া শেষ করে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সেইসঙ্গে এদিন সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতির বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে, আপ নেতার বিউদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ প্রমাণ করা হয়েছে। দিল্লি আবগারি দুর্নীতি মামলায় কিছুদিন আগেই জামিনের আবেদন করেছিলেন দিল্লির প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী। এরপরই গত ১৭ অক্টোবর জামিন মামলার শুনানি শেষ হলেও বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি এসভিএন ভাট্টির বেঞ্চ রায়দান স্থগিত রেখেছিল। সোমবার সেই আবেদনই খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। এর আগে গত ৩০ মে দিল্লি আবগারি দুর্নীতি মামলায় মণীশ সিসোদিয়ার জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয় দিল্লি হাইকোর্ট।

এরপর, গত ৩ জুলাই ফের জামিনের আবেদন করে দিল্লি হাইকোর্টে দ্বারস্থ হয়েছিলেন মণীশ সিসোদিয়া। সেই সময়ও তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়। আবগারি দুর্নীতি সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ গুরুত্বপূর্ণ বলে পর্যবেক্ষণে জানিয়েছিল হাইকোর্ট। উল্লেখ্য,গত বছরই দিল্লির আবগারি নীতি নিয়ে বিতর্কের দানা বেঁধেছিল। এরপরই দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর ভিকে সাক্সেনার নির্দেশেই দিল্লির আবগারি নীতি নিয়ে তদন্ত শুরু করে ইডি ও সিবিআই। কারণ, আবগারী বা মদ বিক্রি নীতিতে মূল অভিযোগই ছিল বেআইনিভাবে পথে অর্থ উপার্জন। তিন মাস আগেই সিবিআই এই মামলার চার্জশিটও পেশ করে। সিবিআইয়ের ওই চার্জ শিটে মণীশ সিসোদিয়া সহ ১৫ জনের নাম ছিল। ১১ পাতার ওই চার্জশিটে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং ভুয়ো অ্যাকাউন্টের নথি পাওয়া গেছে বলে দাবি সিবিআইয়ের। মনীশের বিরুদ্ধে সিবিআই যে ধারাগুলিতে মামলা দায়ের করেছিল, তারমধ্যে দুটি ধারা ইডির প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট-এর অধীনে তদন্তের অধীনে পড়ে। সেগুলি হল, ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২০-বি এবং ৪৭৭। এছাড়া দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৭ নম্বর ধারার মামলা দায়ের হয়েছিল।

About Post Author