Home » কাকদ্বীপ : গৃহবধূকে নির্যাতন করে মাথা মুড়িয়ে দেওয়া হল

কাকদ্বীপ : গৃহবধূকে নির্যাতন করে মাথা মুড়িয়ে দেওয়া হল

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৫ নভেম্বর : ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স বা ঘরোয়া হিংসা যে বেড়েই চলেছে তা বিভিন্ন সমীক্ষায় প্রকাশ পাচ্ছে। বঙ্গ ও তার ব্যতিক্রম নয়। তালিবানি শাসনের মতই মধ্যযুগীয় বর্বর ও পৈশাচিক ঘটনার সাক্ষী দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার কাকদ্বীপ। এখানে নারায়ণপুর গ্রামে চুরির অভিযোগে বাড়ির বউকে মারধর করে মাথা মুড়িয়ে দিল শাশুড়ি ও ননদ। ওই গৃহবধূর স্বামী কর্মসূত্রে ভিনরাজ্যের বাসিন্দা। শিশুসন্তান রয়েছে গৃহবধূর। শাশুড়ি ও ননদের অত্যাচার ও গৃহবধূর মাথা মুড়িয়ে দেওয়ার পরে প্রতিবেশীরা তাকে আরও অত্যাচারের হাত থেকে রক্ষা করেন। পুলিশে খবর যায়। পুলিশ অভিযুক্ত দুজনকে গ্রেফতার করেছে।

এলাকাবাসীরা জানিয়েছেন, শুক্রবার নির্যাতিতার বাড়ি থেকে হঠাৎ চিৎকার চেঁচামেচির শব্দ শুনতে পান প্রতিবেশীরা। প্রথমে বিষয়টি পারিবারিক ঝামেলা ভেবে এড়িয়ে গেলেও, ক্রমেই চিৎকার চেঁচামেচি বাড়তে থাকে। এরপর প্রতিবেশীরা বাড়িতে গিয়ে দেখেন এই কাণ্ড। সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবেশীরাই মধ্যযুগীয় ওই অত্যাচারের কবল থেকে উদ্ধার করেন গৃহবধূকে। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় স্থানীয় থানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই মহিলাকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত শাশুড়ি ও ননদকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে অভিযুক্ত দু’জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জানা গিয়েছে , স্বামী ভিন রাজ্যে যাওয়ায় শ্বশুরবাড়িতে শাশুড়ি ও ননদের সঙ্গেই থাকতেন ওই মহিলা। মাঝেমধ্যেই ঝামেলা-অশান্তি লেগে থাকত। এদিন গৃহবধূর বিরুদ্ধে টাকা চুরির অভিযোগ তোলেন শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। সেই অভিযোগেই গৃহবধূকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। শুধু সেখানে থেমে থাকেননি শাশুড়ি ও ননদ। এরপর জোর করে গৃহবধূর মাথা মুড়িয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। সেই সময় গৃহবধূ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে শুরু হয় চিৎকার চেঁচামেচি। প্রতিবেশীরা একপ্রস্থ অত্যাচার হয়ে যাওয়ার পরে মহিলাকে রক্ষা করলেও কাকদ্বীপের নারায়ণপুর গ্রামে মারধর করে গৃহবধূর মাথা মুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা রীতিমত টনক নড়িয়ে দেওয়ার মত তা বলাইবাহুল্য।।

আরও পড়ুন হামাসের হাতে যুদ্ধবন্দি ২৪ জন মুক্তি পেয়ে বাড়ি ফিরতে স্বস্তি

About Post Author