Home » ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড দিল্লির এইমসে, ঘটনাস্থলে দমকলের একাধিক ইঞ্জিন

ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড দিল্লির এইমসে, ঘটনাস্থলে দমকলের একাধিক ইঞ্জিন

সময় কলকাতা ডেস্ক, ৪ জানুয়ারি: দিল্লির এইমসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। বৃহস্পতিবার সকালে হঠাৎই আগুন লেগে যায় দিল্লি AIIMS-এর ডিরেক্টরের অফিসে। সেখান থেকে আশেপাশের বেশ কিছু কামরায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় দমকলে। খবর পেয়েই সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। ঘটনাস্থলে দমকলের সাতটি ইঞ্জিন। দমকল আধিকারিকদের কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। 

আরও পড়ুন     হাওড়ার বাগনানে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, বেপরোয়া লরির ধাক্কায় প্রাণ গেল সাব ইন্সপেক্টর সহ ২ জনের

জানা গিয়েছে, এদিন ভোরে দিল্লির এইমসের টিচিং বিভাগের দ্বিতীয় তলে আগুন লাগে। আগুনের লেলিহান শিখা দ্রুত ভিতরে ছড়িয়ে পড়ে। বিল্ডিংয়ের ভিতরে বেশ অনেকটা অংশে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। হাসপাতালের কর্মীরা আগুনের কুণ্ডলী ও ধোঁয়া দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। গলগল করে কালো ধোঁয়া দেখতে পেয়েই হাসপাতালের কর্মীরা দরজা খুলে দেখেন ভিতরে দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে। এরপরই দমকলে খবর দেওয়া হয়। আগুন লাগার খবর পেয়েই কিছুক্ষণের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের সাতটি ইঞ্জিন। যুদ্ধকালীন তৎপরতার সঙ্গে ঘণ্টাখানেকের চেষ্টায় সেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। দমকল বিভাগের তরফে জানানো হয়েছে, দিল্লির এইমসের টিচিং ব্লকে আগুন লেগেছিল। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও, হাসপাতালের প্রচুর আসবাবপত্র পুড়ে গিয়েছে। বহু গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ড ও নথিও পুড়ে গিয়েছে। দমকল আধিকারিকেরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা ৫৮ মিনিট নাগাদ আগুন লাগার খবর আসে এইমস হাসপাতাল থেকে। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের সাতটি ইঞ্জিন।

এর আগেও ২০২৩ সালের ৭ আগস্ট শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগে দিল্লির এইমসে। যুদ্ধকালীন তৎপরতার সঙ্গে দমকলের আটটি ইঞ্জিন আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগায়। কালো ধোঁয়ায় চারদিক ঢেকে যায়। আগুন লাগার জন্য কিছুক্ষণ বন্ধ হয়ে যায় হাসপাতালের জরুরি পরিষেবা। সেসময়ও রোগীদের কেউ হতাহত হননি। তড়িঘড়ি ধোঁয়া বের করে দেওয়ার জন্য দোতলার জানালার কয়েকটি কাঁচ ভেঙে ফেলেন ডাক্তার, নার্সিং স্টাফ এবং গার্ডরা। এক তলার শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের জরুরি ওয়ার্ডের সমস্ত রোগীদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

About Post Author