Home » হাওড়ার বাগনানে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, বেপরোয়া লরির ধাক্কায় প্রাণ গেল সাব ইন্সপেক্টর সহ ২ জনের

হাওড়ার বাগনানে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, বেপরোয়া লরির ধাক্কায় প্রাণ গেল সাব ইন্সপেক্টর সহ ২ জনের

সময় কলকাতা ডেস্ক, ৪ জানুয়ারি: ভোররাতে হাওড়ার বাগনানের ১৬ নং জাতীয় সড়কে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। বেপরোয়া লরির ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেল পুলিশের গাড়ি। প্রাণ গেল সাব ইন্সপেক্টর সহ হোমগার্ডের। গুরুতর আহত আরও ৩ পুলিশকর্মী। মর্মান্তিক এই পথ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বাগনানের বরুণদা মুম্বই রোডে। জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে ১৬ নং জাতীয় সড়কে বাগনানের বরুণদা মুম্বই রোডে ডিউটি করছিলেন সুজয় দাস, পলাশ সামন্ত , শুকদেব বিশ্বাস (কনস্টেবল,) অলোক বর (কনস্টেবল)। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন গাড়ি চালক বক্কর আলী।এদিন রাতে জাতীয় সড়কের উপর পুলিশের গাড়িটি দাঁড়িয়েছিল। ঠিক সেইসময়ই ঘটে জায় বিপত্তি। কোলাঘাট দিক থেকে বাগনানের দিকে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়ির পিছনে ধাক্কা মারে একটি লরি। 

আরও পড়ুন     ফের ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল ইরান, মৃত শতাধিক, আহত কমপক্ষে ১৪০

ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় সাব ইন্সপেক্টর সুজয় দাস এবং হোম গার্ড পলাশ সামন্তর। দুর্ঘটনায় আরও দুই পুলিশকর্মী ও পুলিশ গাড়ির চালক গুরুতর আহত হন। এই ঘটনার খবর পেয়ে বাগনান থানার পুলিশ তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে উলুবেড়িয়া শরৎচন্দ্র মেডিকেল কলেজে ভর্তি করেন। পরে তাঁদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁদেরকে স্থানান্তরিত করা হয় কলকাতায়। যদিও দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। পুলিশ সূত্রের খবর, পিছন থেকে এসে লরিটি ইচ্ছাকৃতভাবে ধাক্কা মারে পুলিশ গাড়িতে। সেসময় গাড়িটির ছাদ উড়ে যায়। এরপর গাড়িটিকে দুমড়ে-মুষড়ে দিয়ে চলে যায় ঘাতক লরিটি। দুজন ঘটনাস্থলেই মারা যান।

 

প্রসঙ্গত, জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনার একটা বড় অংশই ‘হিট অ্য়ান্ড রান’ কেস হয়। যেখানে দুর্ঘটনার পর পালিয়ে যায় ঘাতক গাড়ি। অধিকাংশ দুর্ঘটনাই ঘটান ট্রাকচালকরা, এমনটাও অভিযোগ। এই ধরনের ঘটনার হ্রাস টানতেই সম্প্রতি আইন কঠোর করেছে কেন্দ্র। যেখানে ‘হিট অ্যান্ড রান’-র ক্ষেত্রে কেন্দ্রের সংশোধিত আইনে সর্বোচ্চ সাজা ২ বছর থেকে বাড়িয়ে ১০ বছর করা হয়। এরপরই নতুন বছরের শুরু থেকে বিক্ষোভে পথে নামেন ট্রাকচালকরা। যার কারণে বিগত কয়েকদিন ধরে দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে অচলাবস্থা।

About Post Author