Home » Mohun Bagan: শুরুতে পিছিয়ে পড়ে দশজনের হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে প্রত্যাবর্তন মোহনবাগানের

Mohun Bagan: শুরুতে পিছিয়ে পড়ে দশজনের হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে প্রত্যাবর্তন মোহনবাগানের

স্পোর্টস ডেস্ক, সময় কলকাতা, ১৪ জানুয়ারি: শুরুতে পিছিয়ে পড়েও দুরন্ত প্রত্যাবর্তন মোহনবাগানের। রবিবার কলিঙ্গ সুপার কাপে হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে ২-১ গোলে জয় সবুজ মেরুনের। প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়েও দশজনের হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে জয় পেয়ে মাঠ ছাড়ল তারা। আগামী শুক্রবার কলিঙ্গ সুপার কাপে কলকাতা ডার্বিতে ইস্টবেঙ্গলের মুখোমুখি হবে অ্যান্টোনিও লোপেজ হাবাসের ছেলেরা। তার আগে এই জয় দলের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।

এশিয়ান কাপ খেলার জন্য দলের সাতজন ফুটবলার রয়েছে জাতীয় শিবিরে। হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশ বাছতে বেশ হিমশিম খেতে হয় মোহনবাগানের অন্তর্বর্তী কোচ ক্লিফোর্ড মিরান্ডাকে। প্রথম একাদশে দলে সুযোগ পায় একাধিক তরুণ ফুটবলার। তবে সেই দল নিয়ে হায়দরাবাদের মতো শক্তিশালী দলের সঙ্গে লড়াই করা কঠিন। তবু নিজেদের সাবলীল ফুটবল খেলতে পারলে কাজটা কিছুটা সহজ হয়। তবে রবিবার দেখা গেল ছন্নছাড়া মোহনবাগানকে। তরুণ ফুটবলারদের মধ্যে স্পষ্ট দেখা গেল বোঝাপড়ার অভাব। সেই সুযোগকে কাজে লাগায় হায়দরাবাদ। খেলা শুরু হওয়ার সাত মিনিটের মধ্যে রক্ষণ ও গোলরক্ষকের ভুল বোঝাবুঝিতে গোল হজম করে মোহনবাগান। নবাবের শহরের ফুটবল দলকে এগিয়ে দেন ছাংতে। প্রথমার্ধে গোল করার থেকে গোল না খাওয়ার দিকে নজর ছিল মোহনবাগানের। কারণ দলের প্রতিটি বিভাগের ফুটবলারদের মধ্যে যে বোঝাপড়ার দরকার হয়, সেটা এদিন সবুজ মেরুনে চোখে পড়েনি। উল্টোদিকে দলে বিদেশী না থাকলেও অনেক পরিণত ফুটবল খেলে হায়দরাবাদ। প্রথমার্ধের শেষে সমতা ফেরানোর সুযোগ ছিল বাগানের কাছে। আশিসের ক্রস থেকে কামিংসের হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

আরও পড়ুন: OPTICAL ILLUSION: পৃথিবীর মাত্র ৩ শতাংশ মানুষ পেরেছেন ছবি দুটির মধ্যে থেকে ১০ সেকেন্ডের মধ্যে ৩ টি পার্থক্য খুঁজে বের করতে

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে ছন্দ ফেরে বাগানের খেলায়। হায়দরাবাদের বক্সে বারবার হানা দিচ্ছিলেন কামিংস, পেত্রাতোসরা। বেশ কয়েকবার দূরপাল্লার শটে বিপক্ষের গোলরক্ষককে পরীক্ষাও করেন তারা। তবে লক্ষ্মীকান্ত কাট্টিমানিকে পরাস্ত করতে পারেননি। একটা সময় পর থেকে হায়দরাবাদের বক্সে বল রেখে খেলছিলেন বাগান ফুটবলাররা। তবে কিছুতেই গোলের দেখা পাচ্ছিলেন না। ৮৩ মিনিটে দশজনে হয়ে যায় হায়দরাবাদ। লালকার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন হায়দরাবাদ অধিনায়ক নিম দোরজে। দশজনের প্রতিপক্ষকে পাওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করেনি বাগান। ঠিক চার মিনিট পর প্রথম গোল পেয়ে যায় কলকাতার অন্যতম প্রধান ক্লাব। তবে সমতাসূচক গোলের পাশে মোহনবাগানের কোনও ফুটবলারের নাম নেই। হেড করে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালে বল ঢুকিয়ে দেন হায়দরাবাদের জেরেমি। ওই গোল পেয়ে আরও উজ্জীবিত হয়ে যায় বাগান ফুটবলাররা। চাপ বাড়তে থাকে হায়দরাবাদ রক্ষণের উপর। সেই চাপ সামাল দিতে পারেননি তারা। ৮৯ মিনিটে বক্সের মধ্যে হুগো বুমোকে ফাউল করেন হায়দরাবাদের এক ফুটবলার। পেনাল্টি পায় মোহনবাগান। গোল করতে ভুল করেননি অভিজ্ঞ দিমিত্রি পেত্রাতোস। বাকি সময়ে আর ব্যবধান মুছতে পারেনি হায়দরাবাদ। ম্যাচ জিতলেও ফুটবলারদের সাম্প্রতিক ফর্ম চিন্তায় রাখবে মোহনবাগান থিঙ্ক ট্যাঙ্ককে। তার উপর আগামী শুক্রবার বছরের প্রথম ডার্বি।

About Post Author