স্পোর্টস ডেস্ক, সময় কলকাতা, ৪ ফেব্রুয়ারি: কলকাতা ডার্বি বাঙালির কাছে উৎসব। ম্যাচ শেষ হয়ে গেলেও তার রেশ থাকে বেশ কিছুদিন। শনিবার যুবভারতীতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর, পয়েন্ট ভাগাভাগি করে মাঠ ছাড়তে হয়েছে দুই দলের ফুটবলারদের। এই ফলাফল খুশি করতে পারেনি ফুটবলার, কোচ, কর্মকর্তা থেকে সমর্থকদের। বাকি হাজার বিষয়ে অমত থাকলেও, একটা বিষয়ে কার্যত ‘মিলে সুর মেরা তুমহারা’ শোনা গিয়েছে দুই দলের কোচ কর্মকর্তাদের গলায়। আর যিনি এই অসাধ্য সাধন করেছেন তিনি রাহুল গুপ্তা।

সাধারণত রেফারিং নিয়ে কথা বলেন না ইস্টবেঙ্গলের ‘ভদ্রলোক’ কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত। শনিবার ম্যাচের পর তিনিও এদিনের ম্যাচ রেফারি রাহুল গুপ্তার বিরুদ্ধে সরব হলেন। বলে দিলেন, “বাজে রেফারিং না হলে পুরো তিন পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়তাম।” তাঁর অভিযোগ মোহনবাগানের দ্বিতীয় গোলটি হয়না। বলটি সতীর্থ পেত্রাতোসকে বাড়ানোর আগে নন্দকুমারকে ধাক্কা মেরেছিলেন সাহাল। ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা প্রশ্ন তুলেছেন, সায়ন ব্যানার্জীকে বুকে আঘাত মেরেও কিভাবে কার্ড দেখা থেকে বেঁচে গেলেন পেত্রাতোস?
উল্টোদিকে হাবাস জানিয়ে দিলেন মোহনবাগানও খারাপ রেফারিংয়ের শিকার। তিনি বলছেন তাঁদের বিরুদ্ধে পেনাল্টির সিধান্ত ভুল ছিল। মোহন সমর্থকদের ক্ষোভ একাধিকবার পা চালানোর পরও নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছেন রেফারি রাহুল গুপ্তা। তাদের থেকে একধাপ এগিয়ে রেফারির বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন মোহনবাগানের প্রাক্তন সচিব সৃঞ্জয় বসু। তিনি বলেছেন, ‘ও একটা অপদার্থ। রেফারি সমাজের কলঙ্ক।’ পাশাপাশি তিনি সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনকে রেফারির পিছনে খরচ করার পরামর্শও দিয়েছেন।
শনিবার মোট ২২ টি ফাউল করেন দুই দলের ফুটবলাররা। মোট দশজন ফুটবলারকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি রাহুল গুপ্তা। চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন মোহনবাগানের ব্র্যান্ডন হামিল ও আনোয়ার। লাল হলুদের চোটের তালিকায়ও রয়েছে দুই মহারথী। তারা সল ক্রেস্পো ও মহেশ নাওরেম সিং। তবে এদিনের ডার্বিতে রাফ ফুটবলকে একটু প্রশ্রয়ই দিয়েছেন রেফারি রাহুল গুপ্তা। তাই ম্যাচ শেষে দুই দলের ফুটবলারদের থেকেও আলোচনার কেন্দ্রে এখন তিনি।


More Stories
চেন্নাইয়ানকে হারিয়ে মোহনবাগানকে টপকে ইস্টবেঙ্গল তিন নম্বরে
কেকেআর-কে হারালেন, কে এই মুকুল চৌধুরী ?
গ্রেফতার অজি ক্রিকেট তারকা ওয়ার্ণার