Home » EAST BENGAL: মরশুমের মাঝপথে ধাক্কা ইস্টবেঙ্গলের, চোট পেয়ে মাঠের বাইরে দলের তারকা ফুটবলার

EAST BENGAL: মরশুমের মাঝপথে ধাক্কা ইস্টবেঙ্গলের, চোট পেয়ে মাঠের বাইরে দলের তারকা ফুটবলার

স্পোর্টস ডেস্ক, সময় কলকাতা, ৯ ফেব্রুয়ারি: আইএসএলের দ্বিতীয় পর্বের শুরুতে বড় ধাক্কা ইস্টবেঙ্গলের (EAST BENGAL)। চোট পেয়ে দীর্ঘ সময়ের জন্য মাঠের বাইরে চলে গেলেন দলের তারকা বিদেশী। ফলে আগামী কয়েকটি ম্যাচে তার পরিষেবা পাবেনা কার্লেস কুয়াদ্রাতের দল। আগামী শনিবার নর্থ ইস্টের বিরুদ্ধে মাঠে নামতে চলেছে সুপার কাপ বিজয়ীরা। তার আগে ভারতীয় ফুটবলের রোগ ধরলেন লাল হলুদের হেডস্যার।

ডার্বি দিয়ে আইএসএলের দ্বিতীয় পর্বের অভিযান শুরু করেছে ইস্টবেঙ্গল। প্রতি ম্যাচে উন্নতি করছে কার্লেস বাহিনী। মোহনবাগানের বিরুদ্ধেও তার প্রমাণ মিলেছে। দলবদলের জানুয়ারি উইন্ডোতে দলে কিছু পরিবর্তন করেছেন লালহলুদ কর্তারা। বোরহা হেরেরা ও সিভেরিওকে লোনে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের বদলে নেওয়া হয়ে বার্সেলোনার প্রাক্তন ফুটবলার ভিক্টর ভাসকুয়েজ ও কোস্টারিকার জাতীয় দলের ফুটবলার ফেলিসিও ব্রাউনকে। শনিবার নর্থইস্টের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে মশাল ব্রিগেড। তার আগে ধাক্কা ইস্টবেঙ্গলের। চোট পেয়ে একমাসের জন্য মাঠের বাইরে চলে গেলেন দলের তারকা মিডফিল্ডার সাউল ক্রেসপো। সুপার কাপের ফাইনালে চোট পেয়েছিলেন স্প্যানিশ মিডিও। তা সত্বেও ডার্বিতে তাকে মাঠে নামিয়েছিলেন কোচ। তবে পুরো ম্যাচ খেলতে পারেননি। পরে দলের সঙ্গে অনুশীলন করেন। অনুশীলনের সময় ফের চোটের জায়গায় অস্বস্তি অনুভব করে মাঠ ছাড়েন এই মিডিও। এর পর স্ক্যান করে দেখা যায় সুস্থ হতে আরও সময় লাগবে তার। ফলে আগামী বেশ কয়েকটি ম্যাচে তাকে বাইরে রেখে দল সাজাতে হবে কুয়াদ্রাতকে। যা ধাক্কা ইস্টবেঙ্গলের কাছে।

আরও পড়ুন: DAVID MILLER: ডেভিলিয়ার্স বা ডু’প্লেসিরও নেই, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে নতুন কীর্তি ডেভিড মিলারের

নর্থ-ইস্টের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে ভারতীয় ফুটবলের পুরনো রোগ ধরলেন লালহলুদ হেডস্যার। তিনি বলেন, “আমি প্রায় আট বছর ধরে ভারতীয় ফুটবলকে কাছ থেকে দেখছি। আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি  এদেশের ফুটবলের পুরনো রোগ এখনও সারে নি। একটি দল গোল হজম করে পিছিয়ে পড়লে, সেই দলকে ম্যাচে ফেরানোর চেষ্টা করেন রেফারি। শুধু মোহনবাগান নয়, সব টিমের ক্ষেত্রেই এমন হয়ে থাকে। এক কথায় রেফারিরা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার চেষ্টা করেন। এই মানসিকতা না পরিবর্তন করলে ভারতীয় ফুটবলের উন্নতি হবে না।”

About Post Author