Home » ফাইবারনেট দুর্নীতি মামলায় চার্জশিট পেশ, ফের চন্দ্রবাবু নাইডুর গ্রেফতারির আশঙ্কা

ফাইবারনেট দুর্নীতি মামলায় চার্জশিট পেশ, ফের চন্দ্রবাবু নাইডুর গ্রেফতারির আশঙ্কা

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৮ ফেব্রুয়ারি: ফাইবারনেট দুর্নীতি মামলায় আরও বিপাকে অন্ধপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু। ১১৪ কোটি টাকার ফাইবারনেট দুর্নীতি মামলায় এবার চন্দ্রবাবুকে মূল অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করল বিজয়ওয়াড়া এসিবি আদালত। জানা গিয়েছে, ২০১৪-২০১৯ সাল পর্যন্ত চন্দ্রবাবু নাইডু মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন ফাইবার নেট প্রকল্পের জন্য মোট ৩৩০ কোটি টাকা টেন্ডার প্রক্রিয়া চালানো হয়েছিল। সেখানেই ১১৪ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে বলেই অভিযোগ উঠেছে। যদিও নাইডুর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে টিডিপি। তারা মুখ্যমন্ত্রী জগনমোহন রেড্ডির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ এনেছে। শনিবার ফাইবারনেট দুর্নীতি সংক্রান্ত চার্জশিট পেশ করা হয়েছে। যেখানে চন্দ্রবাবু ছাড়াও নাম রয়েছে নেট ইন্ডিয়া হায়দ্রাবাদের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ভি হরেকৃষ্ণ প্রসাদের।

আরও পড়ুন  ফের হাওয়া বদলের পূর্বাভাস, দক্ষিণবঙ্গে একধাক্কায় অনেকটাই বাড়তে পারে তাপমাত্রার পারদ

এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসের শুরুতেই স্কিল ডেভেলপমেন্ট দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন অন্ধপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা টিডিপি প্রধান এন চন্দ্রবাবু নাইডু। তাঁর বিরুদ্ধে অন্ধপ্রদেশ সরকারের স্কিল ডেভেলাপমেন্ট স্কিমে ৩৭১ কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। তারপর থেকেই জেলে ছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। দীর্ঘ টানাপড়েন শেষে তিনি চোখের অস্ত্রোপচারের জন্য অন্তর্বর্তী জামিন পান। প্রসঙ্গত, স্কিল ডেভেলপমেন্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৯ সেপ্টেম্বর ভোরেই অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডুকে গ্রেফতার করে সিআইডি। স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর চন্দ্রবাবুকে বিজয়ওয়াড়ার অ্যান্টি- কোরাপশন ব্যুরো কোর্টে পেশ করা হয়। এরপর আদালত তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয়। ওইদিন রাতেই তড়িঘড়ি তাঁকে রাজামুন্দ্রি সেন্ট্রাল জেলে পাঠানো হয়।

তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন স্কিল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনে ৩৭১ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছিল। এই দুর্নীতির মূল চক্রী ছিলেন চন্দ্রবাবু নাইডু। এরপর ২০২১ সালে স্কিল ডেভলপমেন্ট দুর্নীতি মামলায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, প্রতারণা, অসততা, অসাধুভাবে সম্পত্তি বিতরণ সহ একাধিক ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনেও অভিযোগ আনা হয়েছিল তাঁর বিরুদ্ধে। এরপরই গত মার্চ মাস থেকে সেই দুর্নীতির তদন্ত শুরু করে অন্ধ্রপ্রদেশের সিআইডি। জানা গিয়েছে, ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৪, ৩৭, ১০৯, ১২০(৮), ১৬৬, ১৬৭, ২০১, ৪০৯, ৪১৮, ৪২০, ৪৬৫, ৪৬৮, ৪৭১ নং ধারার অধীনে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে।

About Post Author