Home » Sheikh Shahjahan: রেশন দুর্নীতি মামলায় এবার শেখ শাহজাহানের ২টি অ্যাকাউন্ট বাজেয়াপ্ত করল ইডি

Sheikh Shahjahan: রেশন দুর্নীতি মামলায় এবার শেখ শাহজাহানের ২টি অ্যাকাউন্ট বাজেয়াপ্ত করল ইডি

সময় কলকাতা ডেস্ক, ৪ এপ্রিলঃ রেশন দুর্নীতি মামলার তদন্ত যত এগোচ্ছে ততই যেন ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য। এবার আরও বিপাকে শাহজাহান শেখ(Shahjahan Sheikh)। রেশন দুর্নীতির তদন্তে নেমে ইডি আধিকারিকরা শেখ শাহজাহানের দুটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করল। জানা গিয়েছে, অ্যাকাউন্ট ফ্রিজের পাশাপাশি অন্যান্য ১৫টি অ্যাকাউন্টের লেনদেন সংক্রান্ত তথ্যও চেয়েছে ইডি। যদিও অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করতে চেয়ে আগেই ব্যাঙ্ককে চিঠি দিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সূত্রের খবর, শাহজাহানের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টের পাশাপাশি একটি সংস্থার অ্যাকাউন্টও ফ্রিজ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন   ভুয়ো রেশন কার্ডের মাধ্যমে কত কোটির দুর্নীতি হয়েছে? তা জানতে এবার খাদ্য দফতরে নোটিস ইডির

জানা গিয়েছে, একটি অ্যাকাউন্টে ৩১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা লেনদেনের হদিশ মিলেছিল। ব্যবসায়িক অ্যাকাউন্টেও বিপুল লেনদেনের হদিশ মিলেছে। ইডির দাবি, ২০১২ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত শাহজাহানের সঙ্গে কলকাতার চিংড়ি রপ্তানিকারক সংস্থাটির দু’ দফায় ১০৪ কোটি ও ৩৩ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। মোট লেনদেনের পরিমাণ ১৩৭ কোটি। এ ছাড়াও ২০২১ ও ২২ সালে আরও ৩১ কোটি ২০ লাখ টাকার লেনদেনের হদিশও মিলেছে।
প্রসঙ্গত, রেশন দুর্নীতির তদন্তে নেমে ইতিমধ্যেই ইডি আধিকারিকরা একের পর এক বিস্ফোরক দাবি করেছেন আদালতে। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, চিংড়ির ব্যবসার আড়ালে ১৩৭ কোটি কালো টাকা সাদা করেছেন সন্দেশখালির ‘বেতাজ বাদশা’ শেখ শাহজাহান।

জানা গিয়েছে, চিংড়ি মাছের রফতানির কাজ করা দুটি সংস্থার মাধ্যমে শাহজানের সংস্থায় ওই পরিমাণ টাকা ঢুকেছিল। ইতিমধ্যেই সেই টাকা লেনদেনের নথিও সংগ্রহ করেছে ইডি। ইডির দাবি, ভুয়ো ভেড়ির মালিকদের কাছ থেকে মাছ কেনার নামে চলত কালো টাকা সাদা করার কাজ। এসকে সাবিনা নামে একটি সংস্থার মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করত। তারা ভুয়ো ভেড়ি মালিকদের কাছ থেকে মাছ কিনত। তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবীর দাবি, আদিবাসীদের জমি দখলদারি সিন্ডিকেটের মাস্টারমাইন্ডও ছিলেন সন্দেশখালির ‘বেতাজ বাদশা’। শাগরেদদের সামনে রেখে চলত সেই দখলদারিও। আর সেই কাজ করত শেখ শাহজাহান ও তাঁর অনুগামীরা।

#SheikhShahjahan

About Post Author