পুরন্দর চক্রবর্তী ও চুমকী সূত্রধর, সময় কলকাতা : কুর্সি দখলের লক্ষ্যে দু দফায় অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে সারা ভারত জুড়ে। ৫৪৩ জন সাংসদ নির্বাচিত হবেন সাত দফার ভোটে। এরমধ্যে বঙ্গে রয়েছে ৪২ টি আসন। দিল্লি দখলের লড়াই শুরু হয়ে গিয়েছে কার্যত। ১৯ এপ্রিল হয়ে গিয়েছে প্রথম দফার ভোট। ২৬ এপ্রিল হয়েছে দ্বিতীয় দফার ভোট। দুই দফায় বাংলার ৬ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়েছে। কুর্সির লড়াই টানটান হয়ে উঠেছে। তৃতীয় দফায় ৯৪ টি লোকসভা কেন্দ্রে ভোট যারমধ্যে ৪ টি লোকসভা কেন্দ্রের ভোট বঙ্গে। এই চারটি লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে নজরকাড়া একটি কেন্দ্র জঙ্গিপুর।নদী ভাঙন আর বিড়ি শ্রমিক উন্নয়নের সমীকরণ অত্যন্ত কার্যকরী হয়ে উঠতে বলেছে এই লোকসভা কেন্দ্রে।
বিড়ি শিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি অধ্যায়। বিদেশি দ্রব্য বর্জনের অঙ্গ হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে নেশাজাত দ্রব্য বিড়ি। বিড়ি শিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বঙ্গের সামাজিক-রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রেক্ষাপট। বঙ্গের মুর্শিদাবাদ ও মালদার বিস্তীর্ণ অঞ্চলের বিড়ি শিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলন। মুর্শিদাবাদ, মালদা বঙ্গের বিড়ি শিল্পের অন্যতম প্রধান হাব। ৫০ টির বেশি রেজিস্টার্ড বড় বিড়ি কোম্পানি রয়েছে মুর্শিদাবাদ ও মালদায়। বিগত দেড় দশক ধরে বঙ্গের রাজনৈতিক ওঠাপড়ার সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছে বিড়ি শিল্প। ইমানি বিশ্বাস ২০১১ সালে সুতি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে কংগ্রেসের টিকিটে জয়ী হন। তিনি একজন বিড়ি শিল্পপতি। সেই প্রথম বিড়ি শিল্পপতির রাজনৈতিক ক্ষমতার অলিন্দে পৌঁছনো। অতঃপর একে একে বিড়ি শিল্পপতিরা প্রবেশ করেন রাজনৈতিক ক্ষেত্রে। এদের মধ্যে রয়েছেন জাকির হোসেন, বায়রন বিশ্বাস প্রমূখ বিড়ি শিল্পপতিরা। বিড়ি ব্যারনদের মধ্যে আরেকটি উল্লেখযোগ্য নাম খলিলুর রহমান। লোকসভা নির্বাচন সামনে আসতেই বিড়ি শিল্প, বিড়ি শিল্পপতি ও বিড়ি শিল্পপতি থেকে রাজনৈতিক নেতা – বিধায়ক- সাংসদদের নাম অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে একটি লোকসভা কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রটির নাম জঙ্গিপুর। এই কেন্দ্রের বিদায়ী সাংসদ এবং এই কেন্দ্রের অধীনে থাকা সাতটি বিধানসভার তিনটির বিধায়ক বিড়ি শিল্পপতি। ভারতে তৃতীয় দফার লোকসভা নির্বাচনে ভোট রয়েছে বিড়ি মহল্লায়। উল্লেখ্য, সারা ভারতজুড়ে ৯৪ টি লোকসভা কেন্দ্রে তৃতীয় দফার ভোট ৭ মে। তৃতীয় দফার ভোটে বঙ্গে চারটি লোকসভা কেন্দ্রে রয়েছে ভোট, এই চারটি কেন্দ্রের মধ্যে অন্যতম জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্র। জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্রের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ভারতের প্রবাদপ্রতিম রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং একমাত্র বাঙালি রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের নাম। তিনি ২০০৪ এবং ২০০৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্রে চলে আসা বাম কর্তৃত্বের অবসান ঘটিয়ে জয়ী হয়েছিলেন। তিনি রাষ্ট্রপতি হওয়ার পরে, ২০১২ সালে উপনির্বাচনে তাঁর পুত্র অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় জয়ী হন। ২০১৪ সালে অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় আবার জয়ী হয়েছিলেন কিন্তু ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ধরাশায়ী হন অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়, তিনি পান তৃতীয় স্থান। প্রথমবারের মত জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্রে বিজয়ী হয় তৃণমূল। বাম-জমানা, কংগ্রেসের প্রণব মুখোপাধ্যায় – অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়ের জমানা শেষ হওয়ার পরে জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন অংশে রাজনৈতিকভাবে এখন ক্ষমতার অলিন্দে বিড়ি শিল্পপতিরা। কারণ, বিড়ি শিল্পে দিন গুজরাণ করা অধিকাংশ মানুষ যে এবারও নির্ধারণ করে দেবেন এই কেন্দ্রে কুর্সি কার দখলে থাকবে। বিড়ি শ্রমিকরা যে নির্ধারক শক্তি হয়ে উঠতে চলেছেন জঙ্গিপুর সহ মালদা, মুর্শিদাবাদের একাধিক লোকসভা কেন্দ্রে, তা উপলব্ধি করতে পেরেছেন স্বয়ং তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বিড়ি শ্রমিকদের জীবন জীবিকা ও তার মান-উন্নয়নে জোর দেওয়ার কথা বলেছেন। উল্লেখ করা দরকার, জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্রের অধীনে সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রের একাধিক বিধানসভা ক্ষেত্রে বেশ কিছু জায়গায় বিড়ি শ্রমিকদের রয়েছে সংখ্যাধিক্য। সুতি, জঙ্গিপুর, সাগরদিঘি, রঘুনাথগঞ্জ লালগোলা, নবগ্রাম, খড়গ্রাম – প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক তৃণমূল কংগ্রেসের। এদের মধ্যে একমাত্র সাগরদিঘি বিধানসভা কেন্দ্রে বিধায়ক ছিলেন কংগ্রেসের বায়রন বিশ্বাস, তিনি পরবর্তীতে তৃণমূলের খাতায় নাম লেখান। বায়রন বিশ্বাস একজন বিড়ি শিল্পপতি। জঙ্গিপুরের বিধায়ক জাকির হোসেন, সুতির বিধায়ক ইমানি বিশ্বাস বিড়ি শিল্পপতি। রাজনৈতিক নেতারা এবং বিধায়করা মূলত তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকায় বিড়ি শ্রমিকদের জীবন-জীবিকা উন্নত না হওয়ায় ক্ষোভ রয়েছে বিভিন্ন এলাকায়। সুতি, জঙ্গিপুর, শামসেরগঞ্জ, সাগরদিঘি সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় লক্ষ লক্ষ বিড়ি শ্রমিকদের বাস। তাঁদের অভিযোগ, তাঁদের আর্থিক উন্নয়ন বা স্বাস্থ্যপরিসেবা এবং তাদের বাঁচার ন্যূনতম অধিকারের দিকে বিন্দুমাত্র নজর দেওয়া হয়নি। উদাহরণ হিসেবে ধরা যেতে পারে সাগরদিঘিকে। সাম্প্রতিক অতীতে হওয়া বিধানসভা উপনির্বাচনে এখানে বিড়ি শ্রমিকদের একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। তার কিছুই পালন করা হয়নি। বিড়ি শ্রমিকদের ক্ষোভ বেড়েছে। সবচেয়ে বড় কথা, বিগত লোকসভা নির্বাচনে বিজয়ী সাংসদ খলিলুর রহমান নিজে বিড়ি শিল্পপতি। তিনি বিগত নির্বাচনে বিজেপির মাফুজা খাতুনকে ২ লক্ষ ৪৫ হাজারের বেশি ভোটে হারিয়ে দেন। খলিলুর রহমান পেয়েছিলেন ৫ লক্ষ ৬২ হাজারের বেশি ভোট। মানুষ হিসেবে তিনি জনপ্রিয় হলেও তাঁর আমলেও বিড়ি শ্রমিকদের উন্নয়ন হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। আর বিড়ি মহল্লায় বিড়ি শ্রমিকদের ক্ষোভ দেখা দিতেই পারে ভোটবাক্সে। শুধু জঙ্গিপুরে নয়, মালদা দক্ষিণ লোকসভা কেন্দ্রেও বিড়ি শ্রমিকদের ক্ষোভের প্রভাব পড়তে পারে ভোটবাক্সে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিষয়টি উপলব্ধি করা মাত্রই তিনি তাঁর একাধিক জনসভা থেকে বিড়ি শ্রমিকদের জীবনের মান উন্নয়নের একাধিক বার্তা দিয়েছেন। বিড়ি শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধি এবং বিড়ি শ্রমিকদের জন্য হাসপাতালের ইঙ্গিতবাহী বার্তা প্রকাশ পেয়েছে তৃণমূল সুপ্রিমোর নির্বাচনী প্রচারে।

এবারও জঙ্গিপুর লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তৃণমূলের বিদায়ী সাংসদ খলিলুর রহমান। মানুষ হিসাবে যতই জনপ্রিয়তা থাকুক, যতই আপাত-স্বচ্ছ ভাবমূর্তি থাকুক, সাতটি বিধানসভার প্রত্যেকটিতেই তৃণমূলের আধিপত্য থাকলেও একাধিক কাঁটায় বিদীর্ণ শাসক দল। শুধু বিড়ি শ্রমিকদের মান উন্নয়ন নয়, আরও একাধিক ইস্যু রয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তাঁর লড়াই যে গত লোকসভা নির্বাচনের মত সহজ নয় তা বিলক্ষণ জানেন তিনি।
বাইটঃ খলিলুর রহমান, তৃণমূল প্রার্থী, জঙ্গিপুর
ভিও — কি ভাবছেন এবার জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্রের অন্য রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা? এবার প্রথমবারের মত গত দু দশকের মুখোপাধ্যায় পরিবারের ছায়া থেকে বেরিয়ে মোর্তাজা হোসেনকে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস। বাম – কংগ্রেস জোট যেভাবে সাগরদিঘিতে উপনির্বাচনে বাজিমাত করেছিল, সেই তত্ত্বেই যে এবারও বাজিমাত করতে চায়, তা সুস্পষ্ট তাদের নেতৃত্বের দেওয়া বার্তায়।
একনায়কতন্ত্র রুখতে বারাসাত থেকে বিজেপিকে রোখার আহ্বান বুদ্ধিজীবীদের
স্বাভাবিকভাবেই তৃণমূল কংগ্রেসের ভোটে থাবা বসাতে চায় বাম-কংগ্রেস। এই ভোট কাটাকাটিতে কতটা লাভ হতে পারে বিজেপির? গতবার বিজেপির প্রার্থী মাফুজা খাতুন এই কেন্দ্রে ৩ লক্ষ ১৭ হাজার ভোট পেয়েছিলেন। এবার বিজেপির প্রার্থী ধনঞ্জয় ঘোষ। এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্রে সংখ্যালঘু ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৬৪ শতাংশ। স্বাভাবিকভাবেই মূলত বাকি ৩৬ শতাংশ ভোটারের দিকে চোখ রাখছে বিজেপি। পরিসংখ্যান বলছে, গত লোকসভা নির্বাচনে জঙ্গিপুর কেন্দ্রে বিজেপি ১৫ শতাংশ ভোট বাড়ালেও তৃণমূলের ভোট বাড়ে ২৫ শতাংশ। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, ৪৩ শতাংশের বেশি ভোট পাওয়া খলিলুরের ভোট অভাবিতভাবে কমে না এলে এবারের নির্বাচনে জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্রে আদৌ কি সম্ভবনা রয়েছে বিজেপির? কংগ্রেস – সিপিএমের যৌথ শক্তির ভোট বাড়লেও কি আশা বাড়তে পারে বিজেপির? কারণ, একথা ভুলে গেলে চলবে না, ২০১৯ সালে বাম কংগ্রেসের জোট ছিল না। সিপিএম প্রার্থী মহম্মদ জুলফিকার আলি পেয়েছিলেন ৭.৩২ শতাংশ ভোট। স্বাভাবিকভাবেই ২৪ শতাংশ ভোট পেয়ে বিজেপি জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্রে গত লোকসভা নির্বাচনে দ্বিতীয় হলেও বাম কংগ্রেসের বাক্সে ভোট পড়েছিল প্রায় ২৭ শতাংশ। তাই গাণিতিক হিসাবে এই কেন্দ্রে বাম কংগ্রেসের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রবল হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের ভোটে থাবা পড়ার সম্ভাবনা। জঙ্গিপুর কেন্দ্রে আইএসএফ প্রার্থী হয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক ইমানি বিশ্বাসের দাদা শাহজাহান বিশ্বাস। শাহজাহান বিশ্বাস যে সুতি বিধানসভা কেন্দ্র এলাকায় তৃণমূলের ভোটে থাবা বসাতে পারেন, এনিয়ে আশঙ্কা রয়েছে খোদ তৃণমূলেই। অঙ্কের হিসাব ছাড়িয়েও বেশ কিছু সমীকরণ তৃণমূলের বিপক্ষে কাজ করতে পারে। বিড়ি শ্রমিকদের সমস্যা ছাড়াও রয়েছে ভিন রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকদের সমস্যা। ভিন রাজ্যে সমস্যায় পড়া পরিযায়ী শ্রমিকদের পাশে দাঁড়াতে চেষ্টা করেছেন খলিলুর রহমান। তাঁর গ্রহণযোগ্যতা যথেষ্ট হলেও, তিনি সাধারণ মানুষের কাছের হলেও, জঙ্গিপুরের বেশ কিছু এলাকায় নদী ভাঙন ইস্যু রয়েছে। স্বয়ং খলিলুর রহমান শামসেরগঞ্জের বাসিন্দা। শামসেরগঞ্জে ভাঙনে গঙ্গা নদীবক্ষে তলিয়ে গিয়েছে একের পর এক গ্রাম। খোলা আকাশের তলায় ঠাঁই নিতে হয়েছে বহু পরিবারকে। ২০২১ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন নদী তীরবর্তী মানুষ। নদী ভাঙন রোধে প্রশাসনিক তৎপরতা দেখানো হয়নি বলে অভিযোগ। প্রশাসন সম্প্রতি জানিয়েছে, ‘ভাঙন রোধে সরকারি নিয়ম মেনে কাজ চলছে। পাথর দিয়ে স্পার বাঁধানোর নিয়ম আর নেই। বালির বস্তা দিয়ে পাড় বাঁধিয়ে তার উপর জিও সিট পাতা হবে। ‘ আশ্বস্ত হচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। তাঁদের বক্তব্য বালির বস্তা দিয়ে সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা বৃথা এবং সেটুকুই হচ্ছে। নদীগর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে জনপদ। পরিযায়ী শ্রমিকদের সমস্যা, বিড়ি শ্রমিকদের সমস্যা এমনকী লালগোলা সীমান্ত সমস্যা, দুর্নীতির ইস্যু এবং নদী ভাঙনে তলিয়ে যাওয়া শামসেরগঞ্জ বা প্রতাপগঞ্জের মানুষের জীবনের স্বপ্নের মত যেন তৃণমূলের স্বপ্ন হারিয়ে না যায়, সেই আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। খলিলুর রহমান হয়তো এগিয়ে আছেন, কিন্তু কতটা এগিয়ে আছেন তা নিশ্চিত নয়। কংগ্রেস প্রার্থী তাঁর ঘাড়ের কাছে যে নিশ্বাস ফেলছেন!


More Stories
ব্রাজিলের জনবহুল এলাকায় আচমকাই ভেঙে পড়ল যাত্রীবাহী বিমান, পাইলট-সহ বিমানের ৬২ জন যাত্রীর মৃত্যু
অধীর চৌধুরী নিজে ডুবলেন, ইন্ডিয়া জোটকে ডোবালেন, বাঁচালেন এনডিএ ও বঙ্গ বিজেপিকে
INDIA Alliance: সরকার গঠন নয়, আপাতত ঐক্যবদ্ধ বিরোধী হিসাবেই সংসদে বসতে চায় ইন্ডিয়া জোট