সময় কলকাতা ডেস্ক: ১১ জুনঃ রেশন দুর্নীতি মামলার তদন্ত যত এগোচ্ছে , ততই যেন ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য। রেশন দুর্নীতির তদন্তে নেমে ইতিমধ্যেই ইডি আধিকারিকরা একের পর এক বিস্ফোরক দাবি করেছেন আদালতে। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, চিংড়ির ব্যবসার আড়ালে ১৩৭ কোটি কালো টাকা সাদা করেছেন সন্দেশখালির ‘বেতাজ বাদশা’ শেখ শাহজাহান। এবার শাহজাহানের চার্জশিটে বিস্ফোরক তথ্য পেশ ইডির। চার্জশিটে ইডি জানিয়েছে, শাহজাহানের জমি দুর্নীতির টাকা পৌঁছেছিল তৃণমূলের ফান্ডে। চার্জশিটে ইডি আরও উল্লেখ করেছে, মাছ রফতানির নামে পাঁচ বছরে মোট ১৯৮ কোটি কালো টাকা সাদা করেছেন শাহজাহান।
আরও পড়ুন সাতসকালে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা ব্যান্ডেলে, তরুণীর মাথা পিষে দিল সিমেন্ট বোঝাই লরি
রেশন দুর্নীতির তদন্তে নেমে ইতিমধ্যেই ইডি আধিকারিকরা একের পর এক বিস্ফোরক দাবি করেছেন আদালতে। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, চিংড়ির ব্যবসার আড়ালে ১৩৭ কোটি কালো টাকা সাদা করেছেন সন্দেশখালির ‘বেতাজ বাদশা’ শেখ শাহজাহান। জানা গিয়েছে, চিংড়ি মাছের রফতানির কাজ করা দুটি সংস্থার মাধ্যমে শাহজানের সংস্থায় ওই পরিমাণ টাকা ঢুকেছিল। ইতিমধ্যেই সেই টাকা লেনদেনের নথিও সংগ্রহ করেছে ইডি। ইডির দাবি, ভুয়ো ভেড়ির মালিকদের কাছ থেকে মাছ কেনার নামে চলত কালো টাকা সাদা করার কাজ। এসকে সাবিনা নামে একটি সংস্থার মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করত। তারা ভুয়ো ভেড়ি মালিকদের কাছ থেকে মাছ কিনত। তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবীর দাবি, আদিবাসীদের জমি দখলদারি সিন্ডিকেটের মাস্টারমাইন্ডও ছিলেন সন্দেশখালির ‘বেতাজ বাদশা’। শাগরেদদের সামনে রেখে চলত সেই দখলদারিও। আর সেই কাজ করত শেখ শাহজাহান ও তাঁর অনুগামীরা।
এর আগে রেশন দুর্নীতির তদন্তে নেমে ইডি আধিকারিকরা শাহজাহানের দুটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করেছিল। জানা গিয়েছে, একটি অ্যাকাউন্টে ৩১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা লেনদেনের হদিশ মিলেছিল। ব্যবসায়িক অ্যাকাউন্টেও বিপুল লেনদেনের হদিশ মিলেছে। ইডির দাবি, ২০১২ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত শাহজাহানের সঙ্গে কলকাতার চিংড়ি রপ্তানিকারক সংস্থাটির দু’ দফায় ১০৪ কোটি ও ৩৩ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। মোট লেনদেনের পরিমাণ ১৩৭ কোটি। এ ছাড়াও ২০২১ ও ২২ সালে আরও ৩১ কোটি ২০ লাখ টাকার লেনদেনের হদিশও মিলেছিল।
#Latestbengalinews
#SheikhSahajahan
#LandCorruptionMoney
#ED


More Stories
রথীন ঘোষ ফিরলেন ইডি দফতর থেকে
গ্রেফতার সুজিত বসু
আই-প্যাকের ডিরেক্টর ভিনেশ চান্দেলকে গ্রেফতার করল ইডি