Home » Wayanad Landslides: ভূমিধসে মৃত্যুপুরী কেরলের ওয়ানড়! দুর্ঘটনাগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে ওয়ানড় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

Wayanad Landslides: ভূমিধসে মৃত্যুপুরী কেরলের ওয়ানড়! দুর্ঘটনাগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে ওয়ানড় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

সময় কলকাতা ডেস্ক, ৮ আগস্ট: ভূমিধসে মৃত্যুপুরী কেরলের ওয়ানড়। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। ভারী বৃষ্টিতে ধসের জেরে তছনছ হয়ে গিয়েছে পার্বত্য অঞ্চল। মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। কেরলের ওয়ানড়ে ভূমিধসের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ৪০০ পেরিয়ে গিয়েছে। মাটির নিচে চাপা পড়ে রয়েছেন আরও শতাধিক মানুষ। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে চলেছে প্রাণের সন্ধানের খোঁজ। অবশেষে দুর্ঘটনার ১১ দিন পর ওয়ানড় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জানা গিয়েছে, আগামী ১০ আগস্ট ভূমিধসে বিধ্বস্ত ওয়ানড়ে পৌঁছে গোটা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন তিনি। পাশাপাশি কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন ও রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খানের সঙ্গে বৈঠক করার কথাও রয়েছে তাঁর। জানা গিয়েছে, ওইদিনই বিমানে করে কন্নুর যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে হেলিকপ্টারে করে পর্যবেক্ষণ করবেন দুর্ঘটনাগ্রস্ত এলাকা। এদিকে, বুধবারই ওয়ানড়ের ভূমিধসের ঘটনাকে জাতীয় বিপর্যয় হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানিয়েছেন রাহুল গান্ধি। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এরপরেই ওয়ানড় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন নরেন্দ্র মোদি।

আরও পড়ুন   মহম্মদ ইউনুস ফিরছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শপথ নিতে চলেছে

উল্লেখ্য, ভূমিধসের জেরে কেরলে এখনও বহু মানুষের খোঁজ মেলেনি। ড্রোন ব্যবহার করে উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে। ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত বিপুল সংখ্যক মানুষের জনজীবন। ধসের জেরে নিশ্চিহ্ন হয়ে পড়েছে বহু গ্রাম। কেরলের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের কর্মী, রাষ্ট্রীয় জরুরি পরিষেবার কর্মী এবং স্থানীয় জনগণ উদ্ধারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। ড্রোন নিয়ে নজরদারি ছাড়াও সেনাবাহিনী কেন্দ্রের কাছে রয়েছে ন্যাশনাল টেকনিক্যাল রিসার্চ অর্গানাইজেশনের অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি। রয়েছে এনটিআরও-র রেকো রেসকিউ সিস্টেম এবং রিমোট সেন্সিং ইকুইপমেন্ট।

প্রসঙ্গত, গত ৩০ জুলাই ওয়েনাড়ে ভয়াবহ ধস নামে। ওইদিন রাত ১টা নাগাদ মুন্ডাক্কাই টাউনের কাছে প্রথম ধসের খবর পাওয়া যায়। এর ঘণ্টা তিনেক পর ওই এলাকায় এক স্কুলের কাছে দ্বিতীয় ধস নামে। আশেপাশের বাড়ি ও দোকানের মধ্যে জল কাদা ঢুকে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়। ভেসে যায় একাধিক গাড়ি। এই ঘটনায় এলাকায় অন্তত ৪৫০টি পরিবার আটকে পড়ে। ভেঙে পড়ে একটি ব্রিজ। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সঙ্গে সঙ্গে তৎপর হয় প্রশাসন। বর্তমানে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ চলছে। শাসনের তরফে জানানো হয়েছে, যেখানে যেখানে ধস নেমেছে সেখানে মোতায়েন করা হয়েছে দমকল ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। দমকল ও জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে সঙ্গে সঙ্গে পাঠানো হয় ওই এলাকায়। উদ্ধারকাজে নামানো হয় রতীয় বায়ুসেনার হেলিকপ্টার Mi-17 এবং একটি ALH। রাজ্যের সব সরকারি এজেন্সিকে উদ্ধারকাজে হাত লাগানোর নির্দেশ দিয়েছেন কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। কেরলের মুন্দাক্কাই, চুরামালা, আতামালা ও নুলপুজ়া জেলা কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। এই চার জেলার সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। টানা বৃষ্টির জেরে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে সেখানে। ভেঙে গিয়েছে রাস্তা, সেতু। নদীতে ভাসছে একের পর এক মৃতদেহ। সেনাবাহিনীর তরফে অস্থায়ী সেতু তৈরি করে পাহাড়ি এলাকা থেকে কমপক্ষে সাড়ে তিন হাজার মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে বলেই জানানো হয়েছে।

#WayanadLandslides

#Latestbengalinews

#ভূমিধসকেরলেরওয়ানড়ে 

About Post Author