সময় কলকাতা ডেস্ক, ৫ আগস্ট: বর্ষার তাণ্ডবলীলায় বিপর্যস্ত হিমাচল প্রদেশ। মেঘভাঙা বৃষ্টি ও ভূমিধসে বিধ্বংসী চেহারা নিয়েছে হিমাচল। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে প্রাণহানিও। ধসের জেরে হিমাচলপ্রদেশ মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির জেরে বিপদ সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে বিপাশা নদীর জল। তৈরি হয়েছে হড়পা বান। একাধিক রাস্তায় গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছে।
আরও পড়ুন দলের সিদ্ধান্ত মেনে মন্ত্রিত্ব থেকে ইস্তফা দিলেন অখিল গিরি
দুর্যোগে জেরে এখনো ৪০ জনেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ। উদ্ধারকাজে নেমেছে এনডিআরএফ, সিআইএসএফ ও হোমগার্ড, আইটিবিপি-ও। হিমাচল প্রদেশের মাণ্ডিতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে। মাণ্ডিতে ভূমিধসের জেরে রাজবান গ্রামের কাছে রাস্তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। একনাগাড়ে বৃষ্টিতে জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছেন বহু মানুষ। হাওয়া অফিস বলছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টা হিমাচলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি চলবে।
এদিকে, গত কয়েকদিন ধরে মেঘভাঙা বৃষ্টিতে কার্যত বিপর্যস্ত উত্তরাখণ্ডের কেদারনাথ, চামোলি, টিহরী। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির জেরে হু হু করে বাড়ছে মন্দাকিনী নদীর জলস্তর। একনাগাড়ে বৃষ্টির জেরে কেদারনাথ যাওয়ার রাস্তার বেশ কিছু জায়গায় ধস নামে। এর জেরে প্রায় ২০০-র কাছাকাছি পর্যটক কেদারনাথে আটকে পড়েছেন বলেই জানা গিয়েছে। উত্তরাখণ্ডে জারি হাই অ্যালার্ট। ভেসে গিয়েছে বহু রাস্তা। গত বুধবার উত্তরাখণ্ডের টিহরীতে প্রবল বৃষ্টিতে ধসে যায় একটি হোটেল। মৃত্যু হয় পাঁচ পর্যটকের। টিহরীতে একটি পরিবারের বেশ কয়েক জন সদস্য নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। এর কিছুক্ষণ পরই কেদারনাথেও মেঘভাঙা বৃষ্টি নামার খবর মেলে। ফলে বিপদের আশঙ্কা আরও বাড়ছে। নিরাপত্তার কারণে রুদ্রপ্রয়াগ, বাদেশ্বর, চম্পাবত এবং টিহরী জেলার বহু রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বৃষ্টি আর ধসের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পিথোরাগড়-তাওয়াঘাট জাতীয় সড়ক। রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং পুলিশের তরফে চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করে ধসপ্রবণ এলাকাগুলি থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
# ভূমিধসেবিপর্যস্তহিমাচলপ্রদেশ
#Latestbengalinews
#LandslidesinHimachalPradesh


More Stories
নীতিশ জমানা শেষ, বিহারের সম্রাট নতুন মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর বুলডোজার মডেল
আশা ভোঁসলের হার্ট অ্যাটাক
মোদি ও বিজেপিকে খোঁচা : আগাম জামিন পেলেন নিয়ে নেহা সিং রাঠোর