Home » আরজিকর কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মাঝ রাস্তা থেকে সিজিও কমপ্লেক্সে তুলে নিয়ে যাওয়া হল সন্দীপ ঘোষকে

আরজিকর কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মাঝ রাস্তা থেকে সিজিও কমপ্লেক্সে তুলে নিয়ে যাওয়া হল সন্দীপ ঘোষকে

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৬ আগস্টঃ আরজিকর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় তোলপাড় গোটা দেশ। তরুণী চিকিৎসক মৃত্যুর ঘটনায় ইতিমধ্যেই সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। আদালতের নির্দেশে মঙ্গলবার থেকেই তদন্ত শুরু করে দিয়েছে সিবিআই। এই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শুক্রবার আরজিকরের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে তলব করেছিলাম সিবিআই। কিন্তু এদিন সিবিআইয়ের ডাকে সাড়া দেননি তিনি। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, সন্দীপ ঘোষ এদিন দুপুরে স্বাস্থ্যভবনে গিয়েছিলেন। প্রায় ঘণ্টাখানেক সেখানে ছিলেন। সেখান থেকে ফেরার পথেই মাঝরাস্তা থেকে তাঁকে পাকড়াও করে সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় সিবিআই।

আরও পড়ুন  Jay Shah : ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের পাশে বিসিসিআই, স্বাধীনতা দিবসের দিন বড় ঘোষণা জয় শাহের

উল্লেখ্য, পড়ুয়াদের আন্দোলনের মুখে পড়ে গত সোমবারই পদত্যাগ করেছেন্ আরজিকর মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। এরপর এদিন সকাল থেকেই শোনা যাচ্ছিল, আরজিকর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে বদলি করে দেওয়া হচ্ছে সন্দীপ ঘোষকে। তাঁকে পাঠানো হচ্ছে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের দায়িত্বে। সন্দীপের এই নিয়োগ নিয়ে প্রতিবাদও শুরু হয় নতুন করে। এই বিজ্ঞপ্তি জারির পরেই সন্দীপ ঘোষের কুশপুতুল পোড়ান আন্দোলনরত ডাক্তাররা। এরপর মঙ্গলবার সকাল থেকেই বিক্ষোভ শুরু হয় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে। অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেন পড়ুয়ারা। হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে তাঁরা। অধ্যক্ষের ঘরের সামনে ধর্নায় বসে পড়েন অনেকে। স্লোগান ওঠে সন্দীপের বিরুদ্ধে। পড়ুয়ারা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, অধ্যক্ষ হিসেবে তাঁরা কোনওমতেই মানবেন না অভিযুক্ত সন্দীপ ঘোষকে।এরপরই সন্দীপ ঘোষকে অনির্দিষ্টকালীন ছুটিতে পাঠানোর নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। গত মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যতদিন পর্যন্ত না পরবর্তী নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে, ততদিন বাড়িতেই থাকবেন সন্দীপ ঘোষ।

এদিন প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘ রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনের ভূমিকায় আমি স্তম্ভিত! ঘটনার পর ৭২ ঘণ্টা কেটে গেলেও এখনও অবধি প্রিন্সিপালের বয়ান রেকর্ড করা হয়নি। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন। ওই প্রিন্সিপাল কি এতটাই প্রভাবশালী যে তাকে মাত্র ৪ ঘন্টার মধ্যে অন্য কলেজের প্রিন্সিপাল বানিয়ে দেওয়া হল?’ এরপরই এদিন প্রধান বিচারপতি সরাসরি প্রশ্ন তোলেন, কী করে একজন অধ্যক্ষ পদত্যাগ করার সঙ্গে সঙ্গেই অন্যত্র অধ্যক্ষ হিসেবে নিযুক্ত হলেন। এসবের মাঝেই সন্দীপ ঘোষকে সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে গেল সিবিআই।

#SandeepGhosh 

#CGOcomplex

#RGkarHospital  

#RGkarPrincipalSandeepGhoshresigned  

#RGkarPrincipalSandeepGhosh   

#RGKARDoctorDeath   

#Latestbengalinews

About Post Author