সময় কলকাতা ডেস্ক, ৭ অক্টোবর: বিনীত গোয়েল মামলায় এবার মোদি অধীনস্থ কেন্দ্রীয় দফতরের অন্তর্ভুক্তি চাইল উচ্চ আদালত। সেই মর্মে সোমবার কেন্দ্রের কর্মীবর্গ ও প্রশিক্ষণ দফতরকে যুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট। কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার আর্জিতে জনস্বার্থ মামলা চলছে কলকাতা হাই কোর্টে। প্রথমে হাইকোর্ট আরজি সংক্রান্ত সমস্ত মামলা সুপ্রিম কোর্টে করার পরামর্শ দিয়েছিল। পরে সুপ্রিম কোর্ট মামলা পুনরায় হাই কোর্টে ফিরিয়ে দিলে মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে কলকাতা হাই কোর্টেই। বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি বিভাস পট্টনায়েকের ডিভিশন বেঞ্চে মামলার দায়িত্ত্বভার পড়েছে। এখন বিচারপতিদের যুক্তি, আইপিএস বিনীত গোয়েল একজন কেন্দ্রীয় ক্যাডারের আধিকারিক। কার্যত, তাঁকে নিয়ে মামলায় কেন্দ্রের কর্মীবর্গ ও প্রশিক্ষণ দফতরকে যুক্ত করতে হবে। পুজোর ছুটি শেষ হলে, আনুমানিক নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে হবে এই মামলার শুনানি।

আরও পড়ুন: গোপনে আপত্তিকর ভিডিও তুলে ব্ল্যাকমেইল, একাধিক বার ধর্ষণের অভিযোগ প্রতিবেশী যুবকের বিরুদ্ধে
ধর্ষণের শিকার যেকোনও নারীর নাম সংবাদ মাধ্যম, সমাজ মাধ্যম বা যেকোনও পাবলিক ফোরামে বলা বা লেখায় সুপ্রিম কোর্টের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কলকাতায় ঘটে যাওয়া আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতার নাম প্রকাশ্যে উল্লেখ করার অভিযোগ উঠেছে প্রাক্তন পুলিশ কমিশনারের বিরুদ্ধে। এই নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার আর্জিতে উচ্চ আদালতে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন আইনজীবী অমৃতা পাণ্ডে। সোমবার এই মামলায় কর্মীবর্গ ও প্রশিক্ষণ দফতরকে একটি হলফনামা জমা দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এই হলফনামা তলব করা কারণ হিসেবে এদিন মামালাকারী আইনজীবী অমৃতা জানিয়েছেন, কর্মীবর্গ ও প্রশিক্ষণ দফতরের অধীনে থাকা কোনও ব্যক্তি আইনভঙ্গ করলে, তাঁর বিরুদ্ধে কী ধরনের পদক্ষেপ করা যায়, সেই বিষয়ে ব্যাখ্যার জন্যই হলফনামা তলব করেছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। সেই অনুযায়ী বিনীতের বিচার হবে বলে দাবি তাঁর।
আরও পড়ুন: উত্তরবঙ্গের ক্রান্তির সাহাপরিবারের দুর্গাপুজো কেন অনন্য?
আইনজীবী সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথমে এই মামলা নিতে অস্বীকার করেছিল হাইকোর্ট। যে হেতু আরজি কর মামলা সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন, তাই এই সংক্রান্ত নতুন যেকোনও মামলা সুপ্রিম কোর্টেই জানানো পরামর্শ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। এর পরে জনস্বার্থ মামলাকারীর আইনজীবী মহেশ জেঠমলানি হাই কোর্টে জানিয়েছিলেন, শীর্ষ আদালত ওই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেনি। তাই পরে মামলাটি নিয়েছে হাইকোর্ট। এবার সেই অবস্থান মালাতেই কেন্দ্রীয় দফতরের অন্তর্ভুক্তি চায় বিচাপতি।


More Stories
জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ কতটা সম্ভবপর?
মোদি ও বিজেপিকে খোঁচা : আগাম জামিন পেলেন নিয়ে নেহা সিং রাঠোর
যোনিমুখে বীর্য নিক্ষেপই ধর্ষণের মাপকাঠি নয়, জানাল আদালত