সময় কলকাতা ডেস্ক, ১১ অক্টোবরঃ দুর্গাপুজোর উৎসবে গা ভাসিয়েছেন রাজ্যবাসীর একাংশ। অন্যদিকে, ধর্মতলায় আমরণ অনশনে বসেছেন জুনিয়র চিকিৎসকেরা। অনশনকারী চিকিৎক স্নিগ্ধা হাজরার বাড়িতে পৌঁছল পুলিশ। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তাঁর বাঁকুড়ার বাড়িতে গিয়েছিলেন পুলিশকর্মীরা। তবে দেখা না পেয়ে ফিরে আসেন। আবার শুক্রবার দুপুরেও তাঁর বাড়িতে যায় পুলিশ প্রতিনিধিদের একটা দল। অনশনরত চিকিৎসকের উপর চাপ তৈরি করতেই কি এই পুলিশি অভিযান? বিভিন্ন মহলে উঠছে প্রশ্ন।

গভীর রাতে আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে অনশনরত স্নিগ্ধা হাজরার বাড়িতে পুলিশি অভিযান। বৃহস্পতিবার রাত দেড়টায় তাঁর প্রতাপবাগানের বাড়িতে হানা দেয় পুলিশকর্মীরা। সেই নিশুতি রাতে চল্লিশ মিনিট ধরে চলে ডাকাডাকি। কিন্তু জানা গিয়েছে ব্যক্তিগত কারণে শহরে নেই স্নিগ্ধার পরিবারের কেউ। তাই কেউ সাড়া দেননি। মূল ফটকে তালা ঝোলানো দেখে ফিরে যান তাঁরা। শুক্রবার সকালে যখন ধর্মতলার অনশন মঞ্চে উপস্থিত হন আইএমএ-র সভাপতি তার কিছুক্ষণ পর ফের স্নিগ্ধার বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। কিন্তু দ্বিতীয় বারও কারুর দেথা না পেয়েই ফিরতে হয়েছে পুলিশকে। বাঁকুড়ার পুলিশ সুপার বৈভব তেওয়ারী এই পুলিশি অভিযানের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন,দীর্ঘদিন অনশনের ফলে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন স্নিগ্ধা। তাঁর শারীরিক অবস্থার ক্রমে অবনতি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে পরিবারের সঙ্গে দেখা করে স্নিগ্ধার শারীরিক অবস্থার কথা জানানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু সেই সময় প্রতাপনগরে ছিলেন না স্নিগ্ধার বাবা-মা। তাই তাঁদের সঙ্গে ফোনে কথা হয় পুলিশ কর্মীদের। মেয়ের শারীরিক পরিস্থির কথা চিন্তা করে অনশন প্রত্যাহার করতে অনুরোধ করতে বলা হয় বলে সূত্রের খবর। যদিও স্নিগ্ধার পরিবার থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, মে বড় হয়ে গিয়েছে। সে নিজের ভাল বুঝতে শিখে গিয়েছে। ফলে তাঁর সিদ্ধান্ত সে নিজেই নেবে।
আরও পড়ুনঃ Iran-Israel War: টার্গেট মিস ইজরায়েলের, চোখে ধুলো দিয়ে পালাল হেজবোল্লা নেতা
কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের জুনিয়র চিকিৎসক স্নিগ্ধা হাজরা। মাস ছয়েক আগে তাঁর বিয়ে হয় ওই কলেজের আর এক জুনিয়র চিকিৎসক দেবাশিস হালদারের সঙ্গে। দেবাশিসও এই আন্দোলনের প্রধান মুখ। আরজি করের নির্যাতিতার বিচার চেয়ে অন্য সহযোদ্ধাদের সঙ্গে আমরণ অনশনে বসেছেন স্নিগ্ধা। তাঁর পাশেই দেখা যাচ্ছে স্বামী দেবাশিসকেও। যদিও তিনি অনশনে নেই।


More Stories
ঋতব্রতদের সম্পর্কে কুণাল ঘোষের বক্তব্য কেন তাৎপর্যপূর্ণ?
বঙ্গে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার গঠন
অভিষেকের উপর হামলার নেপথ্যে কারা?