Home » SSC Recruitment: হাইকোর্টের রায়ই বহাল থাকছে, নিয়োগ হবে ১৪ হাজার শূন্যপদে, সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্টের

SSC Recruitment: হাইকোর্টের রায়ই বহাল থাকছে, নিয়োগ হবে ১৪ হাজার শূন্যপদে, সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্টের

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৫ অক্টোবর: হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী উচ্চ প্রাথমিকে ১৪ হাজার শূন্যপদে নিয়োগ হবে। এই সংক্রান্ত মামলায় হস্তক্ষেপ না করবে না শীর্ষ আদালত, সিদ্ধান্ত প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচুরের বেঞ্চের। উচ্চ আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সর্বোচ্চ আদালতের গেলেও তাতে ফল হল না কোনও। কলকাতা কোর্টের রায়কেই বহাল রাখার সিদ্ধন্ত সুপ্রিম কোর্টের।

গত ২৮ আগস্ট হাইকোর্টের নির্দেশে এসএসসি আট বছর পর ১৪,০৫২ শূন্যপদে নিয়োগের কাজ শুরু করতে চেয়েছিল। তবে আদালতের ওই নির্দেশ সংরক্ষণ নীতির বিরোধী, দাবি তুলে হাইকোর্টের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ফের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন রাজীব ব্রহ্ম-সহ কয়েক জন চাকরিপ্রার্থী। আট বছর পর নিয়োগের কাজ ফের থেমে যায়। শুক্রবার সেই মামলায় বড় রায় সুপ্রিম কোর্টের। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, ১৪ হাজার শূন্যপদে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী নিয়োগ হবে। নিয়োগপত্র দিতে বাধা নেই। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সুপ্রিম কোর্ট হস্তক্ষেপ করবে না। কার্যত হাই কোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ রায়মে মান্য করা ছাড়া আর কোনও রাস্তা নেই মামালাকারীদের কাছে।

আরও পড়ুন: টোটো বাঁচাতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের হাতে প্রাণ হারালেন চালক, চাঞ্চল্য মুর্শিদাবাদে

উচ্চ প্রাথমিকের এই নিয়োগের মামলাটি আজকের নয়। ২০১৫ সাল থেকে ঝুলে রয়েছে নিয়োগের প্রক্রিয়া। উচ্চ আদালতের নির্দেশে পাঁচ বছর ধরে একাধিক বার স্থগিত থাকার পর ২০২০ সালে নিয়োগ প্রক্রিয়াটি বাতিল করে দিয়েছিল উচ্চ আদালত। তার আরও তিন বছর পর ২০২৩ সালে নতুন প্যানেল প্রকাশের অনুমতি দেওয়া হয়। এই মর্মে চলতি বছরের ১৮ জুলাই বিচারপতি চক্রবর্তী এবং বিচারপতি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে এই সংক্রান্ত শুনানি শেষ হয়। রায় ঘোষণা হয় ২৮ অগস্ট।

আরও পড়ুন: Kalyan Banerjee: সংসদীয় কমিটির বৈঠকে তুলকালাম, কাঁচের বোতল ভেঙে নিজের হাত কাটলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

আদালতের সেই রায়ের বিরুদ্ধে ফের সোচ্চার হয় কিছু চাকরিপ্রার্থী। শীর্ষ আদালতে তাঁরা অভিযোগ জানান, এসএসসির এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, কাউন্সেলিংয়ের সময় এখানে সংরক্ষণ নীতি মানা হয়নি। তফসিলি জাতি এবং জনজাতিদের সংরক্ষণ নিয়ে একাধিক প্রশ্ন ওঠে। এমনকি, সেখানে মহিলাদের সংরক্ষণ নিয়েও ত্রুটি ছিল বলে আদালতে জানান মামলাকারীদের আইনজীবী। ওএমআর শিটেও গোলমালের আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছিল। তবে এদিন সুপ্রিম কোর্টের রায়ে আট বছর পর জট কাটলো এই মামলায়।

About Post Author