সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৮ অক্টোবর: প্রয়াত হাফিজ আলন সৈরানি। সোমবার এসএসকেএম হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা। জানা গিয়েছে ফুসফুসে ক্যান্সার ধরা পড়েছিল কংগ্রেস নেতার। যার কারণে অসুস্থতা হয়ে পড়েছিলেন তিনি। গত দু’সপ্তাহ আগে বাইপাসের একটি হাসপাতালে ভর্তিও করানো হয়েছিল হাফিজকে। সেখান থেকেই তাঁকে রবিবার এসএসকেএম হাসপাতালে তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। তবে রাজ্যের অন্যতম সেরা হাসপাতালের নিয়ে এসেও শেষরক্ষা হয়নি। এদিন ৬৪ বছর বয়সে চোখ বুঝলেন হাফিজ।

প্রয়াত নেতা রাজনৈতিক কেরিয়ার শুরু করেছিলেন ফরওয়ার্ড ব্লক শিবিরের আওতায়। তাঁর দাদা রমজান আলি ছিলেন উত্তর দিনাজপুরের গোয়ালপোখর কেন্দ্রের বিধায়ক। রমজান খুন হলে ওই আসনে উপনির্বাচন জেতেন হাফিজ। হন তৎকালীন বিধায়ক। ১৯৯৬ সালের বিধানসভা ভোটে জিতে মন্ত্রী হন হাফিজ। ২০০৬ পর্যন্ত ত্রাণ এবং সমবায় দফতর ছিল তাঁর হাতে। ২০০৬ সালে কংগ্রেসের কাছে হারতে হয়েছিল তাঁকে। সেবার গোয়ালপোখর কেন্দ্রে তাঁর বিরুদ্ধেই কংগ্রেসের হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন দীপা দাশমুন্সী। পরবর্তী সময়ে যদিও ওই কেন্দ্র ফের এসেছিল ফরওয়ার্ড ব্লকের অধীনে। হাফিজের ভাইপো আলি ইমরান রামজ,ওরফে ভিক্টর ওই আসনে ফরওয়ার্ড ব্লকের টিকিটে দাঁড়িয়ে জয়ী হয়েছিলেন।
আরও পড়ুনঃ লড়াই জুনিয়র বনাম জুনিয়র চিকিৎসকদের! ‘অভয়া’র নামে টাকা তুলেছে অনিকেতরা, অভিযোগ তুলে চিঠি মুখ্যসচিবকে
২০২২ সালে হাফিজ এবং ইমরান, কাকা-ভাইপো উভয় ফরওয়ার্ড ব্লক ছেড়ে দেন। জোরে যোগদান করেন হাত শিবিরে। তার পরের বছরই প্রদেশ কংগ্রেস সহ-সভাপতি পদে নিযুক্ত করা হয়েছিল হাফিজকে। সোমবার হাফিজের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার লিখেছেন, ‘‘সংসদীয় রাজনীতির আঙিনায় এবং প্রগতিশীল কর্মধারার ক্ষেত্রে প্রয়াত হাফিজ আলি সৈরানির ভূমিকা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।’’ দলের অভিজ্ঞ নেতার প্রয়াণে শোকাচ্ছন্ন রাজ্যের গোটা হাত শিবির।


More Stories
তারকেশ্বরে শ্যামাপ্রসাদের স্মরণে নরেন্দ্র মোদি, কৃষকদের প্রকল্পের সূচনা
ছাত্র শাসন মামলায় শিক্ষকের জামিন, আদালতের যুগান্তকারী বার্তা
যোগা, নামাজ, রেডরোড ও “হরিদাস পাল”