সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৪ নভেম্বর : গিসেল পেলিকট মামলা
অন্ততপক্ষে ৫১ জন ধর্ষণ করেছে তাঁকে। পৈশাচিক বললেও কম বলা হয়। নজিরবিহীন এরকম যৌন নির্যাতন! তাঁর নাম গিসেল পেলিকট। তিনি এমন এক নারী যাকে নারীদের ওপরে নির্যাতনের চরম উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা যায়। সম্প্রতি দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে, গিসেল পেলিকট একটি আদালতের কক্ষে ভিডিও হিসেবে বসেছিলেন, আদালতের সামনে তুলে ধরা হয়েছে কীভাবে অসংখ্য মানুষ তাঁকে যৌন নির্যাতন করছে।
ফরাসি মহিলা গিসেল পেলিকটকে বহুবার ধর্ষণ করা হয়েছে। তাঁকে ধর্ষণ করার অভিযোগ ৫১ জনের বিরুদ্ধে।দক্ষিণ ফ্রান্সের মাজানে তাঁর উপরে চলা ধারাবাহিক ধর্ষণ ও যৌন নিগ্রহের কাহিনীর মূলে ছিলেন তাঁর স্বামী ডোমিনিক পেলিকট। ডমিনিক তাকে নেশায় আচ্ছন্ন করে রাখতেন, আমন্ত্রণ জানাতেন বিভিন্ন পুরুষদের। অভিযুক্ত পুরুষেরা নেশাচ্ছন্ন গিসেলের ওপরে যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণ করতেন।স্বামীর করা সেই ভিডিও ধরে রাখা হয়েছিল, পরে যা আদালতের হাতে তুলে দিয়েছেন গিসেল যা হয়ে উঠেছে নারী নির্যাতনের ভয়ংকর দলিল।
সবচেয়ে ভয়ঙ্কর তথ্য ছিল যে, এই সব ধর্ষণের সময় তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন। তাঁর ভিডিও তবুও আদালতের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তিনি স্বেচ্ছায় তুলে দিয়েছেন প্রমাণ । তাঁর বিচার চলাকালীন আদালতের কক্ষ থেকে বের হননি পেলিকট ।আদতে ভিডিওগুলি জনসাধারণের কাছে প্রকাশ করার জন্য তিনি এক অসম্ভব মানসিক যুদ্ধ করেছেন।
গত মঙ্গলবার, পেলিকট ৫১ জন পুরুষের বিচারে আদালতে তাঁর অন্তিম বিবৃতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন,তাঁর স্বামী তাঁকে মাদকাসক্ত ও নেশায় আচ্ছন্ন করার পরে এবং প্রায় এক দশক ধরে তাঁকে অপব্যবহার করার জন্য পুরুষদের তাদের বাড়িতে আমন্ত্রণ করতেন। তাঁকে ধর্ষণ করা হত। আর এইসব ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছিল ।
এই মামলাটি ফ্রান্স এবং তার বাইরেও নারীবাদী প্রতিবাদকে আলোড়িত করেছে। নারীধর্ষণ ও যৌননিগ্রহ এবং হিংসার ভয়ঙ্কর একটি দলিল গিসেল পেলিকট মামলা।


More Stories
শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার জয়প্রকাশ
কলকাতার বুকে গ*ণধ*র্ষণ
পুলিশের জালে পলাতক ও অপসারিত বিডিও প্রশান্ত বর্মন