সময় কলকাতা ডেস্ক, ৩ ডিসেম্বর: আলু ব্যবসায়ীরা ধর্মঘটে অনড়। জট কাটল না কৃষি বিপণন মন্ত্রী বেচারাম মান্নার সঙ্গে বৈঠকের পরেও। সোমবার বেচারাম স্পষ্ট জানিয়েছিলেন ধর্মঘট রুখতে যেকোনও পদক্ষেপ নিতে রাত পারে সরকার। তবে সেই হুঁশিয়ারিতেও পিছপা হতে রাজি নন আলু মিলের মালিকরা। মঙ্গলবার সকাল হতেই তাঁদের সিদ্ধান্ত বাজারে আলু সরবরাহ করবেন না ব্যবসায়ীরা। ফলস্বরূপ বাজারে আলুর ঘাটতি থাকবে। দামও বাড়বে। ব্যবসায়ীদের সরকারের আদেশ উপেক্ষা করাকে বিরোধীদের উস্কানী বলেই দাবি করেছেন মন্ত্রী বেচারাম।

আরও পড়ুন: Enforcement Directorate: এবার মেডিক্যাল কলেজে ভর্তিতে দুর্নীতি! রাজ্যে ফের ‘ইডি ইন অ্যাকশন’
মুখ্যমন্ত্রী তথা কৃষি বিপণন মন্ত্রীর দেওয়া কড়া বার্তার পরেও নিজেদের অবস্থানে অনড় রাজ্যের আলু ব্যবসায়ীরা। আলু ধর্মঘট বহাল রেখেই সরকারের আদেশের বিরোধিতা করছেন তাঁরা। রাজ্যে আলুর ঘাটতি ও তা থেকে বাজারে আলুর দাম বৃদ্ধির আশঙ্কায় আলু ব্যবসায়ীদের ভিন রাজ্যে আলুর রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নবান্ন। তবে সেই দাবি মানতে রাজি নন আলু ব্যবসায়ীরা। তাঁদের বক্তব্য, রাজ্যের হিমঘরে যে পরিমান আলু মজুত আছে গোটা ডিসেম্বর মাসে তার অর্ধেক পরিমান আলুতেই চলে যাবে রাজ্যের। কার্যত বাকি আলু ভিনরাজ্যে বিক্রি করতে না পারলে বিপুল ক্ষতির মুখে পড়বেন ব্যবসায়ীরা। এরপরেও গতকাল মন্ত্রী বেচারাম আলু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করে ধর্মঘট করতে বারণ করেছিলেন। তবে সেই নির্দেশ অমান্য করেই ধর্মঘটে অনড় ব্যবসায়ীরা।
আরও পড়ুন: Enforcement Directorate: এবার মেডিক্যাল কলেজে ভর্তিতে দুর্নীতি! রাজ্যে ফের ‘ইডি ইন অ্যাকশন’
এদিকে রাজ্যের এই সংকটের নেপথ্যে বিজেপি ও সিপিএমের হাত রয়েছে বলে দাবি করেন মন্ত্রী। বেচারাম মান্নার কথায়, “বিজেপি রাজ্যকে না জানিয়ে হিলি, চ্যাংড়বান্ধা, মালদহ থেকে প্রচুর আলু বাংলাদেশে পাঠিয়েছে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে রাজ্যে সংকট তৈরি করতে চেয়েছে তারা।” শুধু বিজেপি নয়, প্রগতিশীল আলু ব্যবসায়ী সমিতির মধ্যে সিপিএমের লোকজন রয়েছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। বেচারামের সংযোজন, “আলু ব্যবসায়ীদের মধ্যে কিছু সিপিএমের লোক আছে। ওরা বাম আমলের কথায় কথায় ধর্মঘট সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতে চায়।”


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
আরেক অভিনেতা প্রণবের অকালপ্রয়াণ
কেন ফুল বদলালেন লিয়েন্ডার পেজ?