Home » প্রাণ বাঁচাতে সীমান্তের দিকে বাংলাদেশি হিন্দুরা, নিরাপত্তা নিয়ে বিপাকে বনগাঁ-বসিরহাট সীমান্তের জনতা

প্রাণ বাঁচাতে সীমান্তের দিকে বাংলাদেশি হিন্দুরা, নিরাপত্তা নিয়ে বিপাকে বনগাঁ-বসিরহাট সীমান্তের জনতা

সময় কলকাতা ডেস্ক, ৮ ডিসেম্বর: বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর অমানবিক অত্যাচারের ফলে নিরাপদ আশ্রয় খুঁজতে এখন ‘বন্ধু’ ভারতের দিকে চেয়ে সে দেশের অত্যাচারিত হিন্দুরা। আশ্রয়ের খোঁজে সীমান্ত পেরিয়ে এদেশে প্রবেশ করতে মরিয়া বিপুল সংখ্যক মানুষ। পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আঁটসাঁট হলেও এই পরিবর্তিত পরস্থিতিতে অনুপ্রবেশের ঝুঁকি থাকছেই। দক্ষিণবঙ্গের নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনার বিশাল একটা এলাকা জুড়ে ভারত বাংলাদেশ স্থল সীমান্ত। অনেক জায়গায় নেই কাঁটাতারও। ফলে সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে নতুন করে নিরাপত্তার প্রশ্ন তুলেছেন এই সমস্ত এলাকার বাসিন্দারা। একই অবস্থা উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ, বসিরহাট ও নদিয়ার তেহট্ট সীমান্তেও।

আরও পড়ুনঃ দুর্গাপুর উৎসবে  বাংলাদেশী পতাকা থাকায় স্টল ভেঙে চুরমার দেওয়ার হুমকি বিজেপি বিধায়কের

আরও পড়ুনঃ সন্দেশখালিতে তরুণী খুনের তদন্ত খতিয়ে দেখতে উপস্থিত মহিলা কমিশন, প্রশ্নের মুখে পুলিশ

বনগাঁয় রয়েছে পেট্রাপোল সীমান্ত, বসিরহাটে ঘোজাডাঙা। বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন চরমে ওঠার পর থেকে ওই দুই সীমান্ত দিয়ে পণ্য পরিবহণ কমে গিয়েছে অনেকখানি। ফলে ব্যবসায়ীদের পকেটে টান পড়েছে। এখন আবার গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো সীমান্ত এলাকা দিয়ে অনুপ্রবেশের আতঙ্ক কাজ করছে অহরহ। যদিও বিএসএফ জওয়ানদের গতিবিধি বেড়েছে সীমান্ত এলাকাগুলিতে।

আরও পড়ুনঃ পাখি দেখায় বাদ সাধছে কচুরিপানা : প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রেখে মাঝিদের বিপন্নতা দূর করার উদ্যোগ

ঘোজাডাঙা সীমান্ত এলাকার ব্যবসায়ীরাও চরম উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছেন। সেখানে বিএসএফের কড়াকড়িতে পণ্য পরিষেবায় প্রভাব পড়েছে। নদিয়ার তেহট্ট সীমান্ত এলাকা অবশ্য এখনও স্বাভাবিক রয়েছে বলে খবর। আতঙ্কে আছেন বেতাই এলাকার বাসিন্দারাও। পরিস্থিতি আরও অশান্ত হলে ওই এলাকায় কী হতে পারে? ওপার থেকে বাসিন্দাদের এদিকে ঢুকে পড়ার সম্ভাবনা কতটা? সেই প্রশ্ন রয়েছে তাঁর মনে। ওই জেলার করিমপুর-জলঙ্গি সীমান্তে কাঁটতারের বেড়া নেই অনেক জায়গায়। ফলে সেই সব এলাকা দিয়ে অনুপ্রবেশ সহজ হবে বলে মনে করছেন তিনি।

About Post Author