স্পোর্টস ডেস্ক, সময় কলকাতা, ১২ ডিসেম্বরঃ জিম্বাবোয়ে সফরের শুরুটা ভাল হল না আফগানদের। যেই দলের বিরুদ্ধে গত পাঁচ বছরে একটিও হারেননি রশিদ খানরা। সেই দলের কাছে দ্বিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে হারতে হল তাঁদের। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৪৪ রান তুলেছিল আফগানিস্তান। চার উইকেট হাতে নিয়ে শেষ ওভারের শেষ বলে সেই রান তুলে নেন সিকন্দর রাজারা। একটি ওভারে ১৩ বল করে ১৯ রান দিয়ে আফগানদের হারের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ালেন নবীন উল হক।
হারারে স্পোর্টস ক্লাবের স্টেডিয়ামে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন আফগান অধিনায়ক রশিদ খান। যদিও শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হয় তাঁদের। তিন বল খেলে রানের খাতা না খুলেই সাজঘরে ফেরেন রহমনুল্লাহ গুরবাজ। রান পাননি অন্য ওপেনার সেদিকুল্লাহ অটলও। আফগানদের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন করিম জনত। ৫৪ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। দলের অন্যতম অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মহম্মদ নবির ব্যাট থেকে আসে ৪৪ রান। বাকিরা উল্লেখযোগ্য রান করতে পারেননি।
ঘরের মাঠে শুরুটা খারাপ করেনি জিম্বাবোয়ে। সৌজন্যে ব্রায়ান ব্রেনেট ও ডিয়ন মেয়ার্সের দ্বিতীয় উইকেটে ৭৫ রানের জুটি। তারপরেও আফগানিস্তানের জেতার সম্ভাবনা ছিল। কারণ দুজনে বড় রান করলেও অনেক বল নষ্ট করেন। ব্রেনেট ৪৯ রান করতে খেলেন সমসংখ্যক বল। মেয়ার্স ৩২ রান করেন ২৯ বলে। শেষ ছ’ওভারে আয়োজকদের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৫৭ রান। রশিদ, নবি সমৃদ্ধ অভিজ্ঞ বোলিং আক্রমণের বিরুদ্ধে যা তাড়া করা সহজ নয়। কিন্তু সিকন্দর রাজাদের জয়ের পথকে প্রশস্ত করে দেয় নবীন উল হকের একটি ওভার। যেখানে ৬ বলের বদলে ১৩ বল করেন আফগান পেসার। খরচ করেন ১৯ রান। যার মধ্যে একাধিক অতিরিক্ত রান রয়েছে। সিকন্দর রাজার উইকেট নিলেও নবীনের দীর্ঘ ওভারে খেলায় ফেরে জিম্বাবোয়ে। শেষের দিকে স্নায়ুর লড়াইয়ে আফগানদের হারিয়ে সিরিজের প্রথম ম্যাচ জিতে নেয় জিম্বাবোয়ে। গত মরশুমের আইপিএলে বিরাট কোহলির সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে শিরোনামে উঠেছিলেন নবীন। যদিও এই মরশুমে দুজনেই জানিয়ে দেন সমস্যা মিটে গিয়েছে। তবে আগামী আইপিএলের মেগা নিলামে আফগান এই পেসারকে কোনও দলই নেয়নি। জিম্বাবোয়ে সফরে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারলেন না নবীন।


More Stories
চেন্নাইকে হারিয়ে প্লে-অফে হায়দ্রাবাদ
পাকিস্তান কি প্রতিশোধ নিতে পারবে?
অবশেষে মুম্বাই ছন্দে, প্রশ্ন সূর্যকে নিয়ে