Home » মায়ের সামনেই জীবন্ত জ্বালিয়ে দেওয়া হল ছয় বাচ্চাকে! মৃত এক, বাকিদের অবস্থা আশংকাজনক

মায়ের সামনেই জীবন্ত জ্বালিয়ে দেওয়া হল ছয় বাচ্চাকে! মৃত এক, বাকিদের অবস্থা আশংকাজনক

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৪ ডিসেম্বর: শীতের হাত থেকে বাঁচতে ছয় শাবককে নিয়ে ডাস্টবিনে আশ্রয় নিয়েছিল মা পথকুকুর। তাতে কোনও ক্ষতি হয়নি মানুষের। বিরক্ত হওয়ারও কোনও কারণ ছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়! হাড় কাঁপানো শীতের রাতে অবলা জন্তুদের পুড়িয়ে মারতে চাইল এক পাষণ্ড। স্থানীয়দের অভিযোগ, মা কুকুরের সামনেই ছয় সাবককে আগুনে জীবন্ত জ্বালিয়ে দিতে চেষ্টা করেন অভিযুক্ত। যার মধ্যে একটি কুকুর মারা গেলেও বাকিরা প্রাণে বেঁচে আছে। কতক্ষন থাকবে তা জানা নেই। সকলের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরে। ঘটনার প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছেন এলাকাবাসী।

আরও পড়ুন: OPTICAL ILLUSION: জিনিয়াসদের মত দৃষ্টিশক্তি আপনার, নিচের ছবি দুটি থেকে ৪৫ সেকেন্ডের মধ্যে ৩ টি পার্থক্য খুঁজে বের করুন

স্থানীয় সূত্রের দাবি, শুক্রবার গভীর রাতে দুর্গাপুরের তিলক রোডের ৩০ নম্বর স্ট্রিটের একটি গ্যারাজের পাশে ডাস্টবিন থেকে ধোঁয়া বেরোতে দেখেন পথ চলতি কয়েকজন। সেই সঙ্গে এক পথকুকুরের তীব্র আর্তনাদ। কেন ধোঁয়া বেরোচ্ছে দেখতে গিয়ে তাঁরা দেখেন, ডাস্টবিনের ভিতরে এক বাচ্চা পথকুকুর তখনও জ্বলছিল আগুনে! আর পাশে বসে তার মা চিৎকার করছে। বাকি শাবকেরাও পাশেই গুটিসুটি মেরে রয়েছে! স্থানীয়েরাই আগুন নিভিয়ে তাদের অন্যত্র নিয়ে যান। তাদের চিকিৎসারও ব্যবস্থা করেন।

আরও পড়ুন: গল্ফ গ্রিনে মুণ্ডুর পর উদ্ধার একাধিক দেহাংশ! পুলিশের জিম্মায় মৃতার জামাইবাবু

গোটা ঘটনায় শনিবার সকাল থেকেই এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। পুলিশকে বিষয়টির খবর দেওয়া হয়। ঘটনায় মর্মাহত এক স্থানীয় বাসিন্দা অপর্ণা মুখোপাধ্যায় জানান, “রাতে ডাস্টবিনের ভিতর থেকে ধোঁয়া বার হচ্ছে দেখে আমরা সেখানে যাই। দেখি ছ’টা বাচ্চা কুকুর জ্বলছে। বইখাতা দিয়ে আগুন জ্বালানো হয়েছে। গন্ধ যাতে না ছড়ায়, সেই জন্য নুনের প্যাকেট ফাটিয়ে রাখা হয়েছিল। আমরা হতবাক! আমরা ছ’টি বাচ্চাকেই উদ্ধার করি। একটা মারাও গিয়েছে। পাঁচটার অবস্থা আশঙ্কাজনক। যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের কঠোর শাস্তি দাবি করছি।” একই ভাবে অভিযুক্তের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন পশুপ্রেমী অনিন্দিতা সরকারও। তাঁর কথায়, “সদ্যোজাত পথকুকুরদের উপর এই নির্মম ঘটনা একেবারে মেনে নেওয়া যায় না। যে বা যারা এই খুন করেছে, তাঁর শাস্তি চাই।”

About Post Author