সানি রায়, সময় কলকাতা , ৮ জুলাই : ধুপগুড়ির প্রায় পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা জীর্ণ ক্লাবঘরের ভেতর থেকে উদ্ধার নিখোঁজ গৃহবধুর ঝুলন্ত দেহ। ব্যাংকে গিয়েছিলেন আর বাড়ি ফেরেননি তিনি ।নিখোঁজ হওয়ার পরের দিনই এক গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ ক্লাব থেকে উদ্ধারকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ালো ধূপগুড়ির ঠাকুরপাট সংলগ্ন এলাকায়। মৃত মহিলার নাম রঞ্জিতা রায়। তিনি ধূপগুড়ির সাঁকোয়াঝোরা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। সাত মাসের শিশু সন্তানকে রেখে তাঁর এই রহস্যমৃত্যু ঘিরে এলাকায় তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। নিহত মহিলা ওই পোড়োবাড়ির আকার নেওয়া ক্লাব ঘরের কি করতে গিয়েছিলেন তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন, আত্মহত্যা নাকি খুন তা নিয়েও প্রশ্ন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে টাকা তোলার উদ্দেশ্যে নিজের সাত বছরের সন্তান কে নিয়ে এক বেসরকারি ব্যাংকে গিয়েছিলেন ওই গৃহবধূ। সঙ্গে তাঁর স্বামীও ছিলেন। ব্যাংক থেকে শিশুটিকে নিয়ে স্বামী বাড়ি ফিরে এলেও, সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই মহিলা বাড়ি ফেরেননি। দীর্ঘক্ষণ আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করার পরও স্ত্রীর সন্ধান না পেয়ে অবশেষে ধূপগুড়ি থানার দ্বারস্থ হন স্বামী। রাতে থানায় একটি লিখিত নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
আজ বুধবার সকালে ধুপগুড়ি থানার অন্তর্গত ঠাকুরপাট এলাকার একটি ক্লাবের ভেতরে ওই গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ প্রথম দেখতে পান স্থানীয় কৃষকেরা। খবর দেওয়া হয় ধূপগুড়ি থানায়। মুহূর্তের মধ্যে ঘটনাস্থলে উপচে পড়ে স্থানীয় মানুষের ভিড়। পুলিশ এসে মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। ব্যাংকে যাওয়ার পর ঠিক কী ঘটেছিল এবং এটি আত্মহত্যা নাকি এর পেছনে অন্য কোনো রহস্য রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে জোর কদমে তদন্ত শুরু করেছে ধূপগুড়ি থানার পুলিশ।।


More Stories
বারুইপুর : জমা-খরচ, দৈব বিচার এবং এনকাউন্টার নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিক্রিয়া কী?
বারুইপুর ‘এনকাউন্টার’: কর্মের ফল নাকি “সকালে জমা, বিকেলে খরচ!”
গণপিটুনিতে নিহত যুবক বেকসুর , অশান্তির পেছনে মৌলবাদী ও দেশবিরোধী শক্তি, বললেন মুখ্যমন্ত্রী