Home » সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে শর্তসাপেক্ষে জামিন পেলেন পার্থর জামাই কল্যাণময়

সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে শর্তসাপেক্ষে জামিন পেলেন পার্থর জামাই কল্যাণময়

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৩ ডিসেম্বর: সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত থেকে জামিন পেলেন কল্যাণময় ভট্টাচার্য। এক হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন পান তিনি। প্রাথমিক নিয়োগ মামলার পঞ্চম চার্জশিটে নাম ছিল তাঁর। তার প্রেক্ষিতে জামিন চান কল্যাণময়। তার প্রেক্ষিতে বিচারক শুভেন্দু সাহা তাঁকে প্রশ্ন করেন, “কল্যাণময়বাবু আপনাকে কী জেরা করা হয় এই মামলায়?” উত্তরে জানান, জেরা করা হয় তাঁকে। এরপর বিচারক জানান, তাঁকে কোনওদিন গ্রেপ্তার করা হয়নি। তাই জামিন দেওয়া হল। তবে পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত দেশ ছাড়তে পারবেন না তিনি।

আরও পড়ুন: Premier League: ঘরের মাঠে লজ্জার হার ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের, আটকে গেল চেলসি, জিতল লিভারপুল

উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে পিংলায় একটি অভিজাত মানের স্কুলের খোঁজ পেয়েছিলেন। ওই স্কুলটি ছিল পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী’র নামে। পরে জানা যায়, ওই অভিজাত মানের স্কুলটির চেয়ারম্যানের পদে রয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামাই কল্যাণময় ভট্টাচার্য। এরপর তাঁকে একাধিকবার তলব করা হয়। ২০২২ সালে ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন তিনি। শ্বশুরের সঙ্গে সঙ্গে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নাম জড়িয়ে গিয়েছিল জামাইয়েরও। সবে মাত্র আমেরিকা থেকে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। তাঁকেও গ্রেফতার করে সিবিআই। এবার জেলমুক্তি হবে তাঁর।

আরও পড়ুন: ভিন দেশের আইনকেই হাতে তুলে নিল ক্ষিপ্ত প্রেমিকা! বিদায় জানাতে এসে পুরুষাঙ্গ খোয়াল প্রেমিক

প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ২২ জুলাই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে ম্যারাথন তল্লাশির পর গ্রেপ্তার হন তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী। নিয়োগ দুর্নীতি মালায় বিগত এক বছরের বেশি সময় ধরে জেলবন্দী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।  শিক্ষামন্ত্রী থাকাকালীন তাঁর বিরুদ্ধের অভিযোগ উঠেছিল শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতিতে করেছেন পার্থ। গ্রেপ্তার হওয়ার ১৩ মাস পর কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন করেন পার্থ। কিন্তু লাভ হয়নি। পরবর্তীতে গত অক্টোবরে জামিনের জন্য শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি। জামিন মামলা গ্রহণ করে বিচারপতিরা নিম্ন আদালতকে দ্রুত শুনানির নির্দেশ দেয়।

About Post Author