সময় কলকাতা ডেস্ক:- দেশের রাজধানী হওয়া সত্ত্বেও ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত দিল্লির বহু মানুষ। দিল্লির আপ সরকারকে নিশানা করে বিস্ফোরক বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি বলছেন, রাজধানীর বর্তমান পরিস্থিতির জন্য বিদেশের মাটিতেও লজ্জায় পড়তে হয় তাঁকে। অনেক তথ্য লুকিয়ে যেতে হয়।
উল্লেখ্য আগামী বুধবার দিল্লির ৭০ আসনে বিধানসভা ভোট। ক্ষমতাসীন আম আদমি পার্টিকে পরাস্ত করতে এবার দিল্লিতে সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপিয়েছে বিজেপি। লড়াইয়ে কংগ্রেসও। বিজেপি ১০ বছরের প্রতিষ্ঠান বিরোধিতাকে হাতিয়ার করতে চাইছে রাজধানীতে।
এমনিতে জয়শঙ্কর রাজনীতির লোক নন। আমলাতন্ত্র থেকে উঠে এসে বিদেশমন্ত্রী হয়েছেন। সেভাবে ভোটের প্রচারেও দেখা যায় না তাঁকে। এবার দিল্লিতে অবশ্য তাঁকেও ভোটপ্রচারে নামিয়ে দিয়েছে বিজেপি। শনিবার দিল্লির দক্ষিণ ভারতীয়দের সঙ্গে আলাপচারিতায় কথাগুলি বলেছেন জয়শঙ্কর। তবে রাজনৈতিক সভায় বলা হলেও বিদেশমন্ত্রী হওয়ার দরুন জয়শঙ্করের বক্তব্যের আলাদা তাৎপর্য রয়েছে। মজার কথা হল, দিল্লির পরিকাঠামো নিয়ে যে অভিযোগ জয়শঙ্কর করছেন তার দায় অবশ্য সামান্য হলেও কেন্দ্রের উপরও বর্তায়। কারণ দিল্লি এখনও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল।
জয়শঙ্কর বলছেন, “যখন আমি কোনও বিদেশ সফরে যাই, আমাকে একটা জিনিস লুকোতে হয়। আমাকে লজ্জায় পড়তে হয় বিদেশে গিয়ে এটা বলতে যে, দেশের রাজধানীতে বসবাস করা বহু মানুষ ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। বাড়ি পান না, জল জীবন মিশনের অধীনে জল পান না, আয়ুষ্মান ভারতের অধীনে স্বাস্থ্য পরিষেবা পান না।” জয়শঙ্করের বক্তব্য, “এটা খুব দুর্ভাগ্যজনক যে গত ১০ বছরে দিল্লি পিছিয়ে পড়েছে। দিল্লিবাসীর একটা বড় অংশ ন্যূনতম সুযোগসুবিধা পাচ্ছে না।” বিদেশমন্ত্রীর অভিযোগ, “আপের আমলে মানুষ দিল্লিতে বিশুদ্ধ জল, বিদ্যুৎ, গ্যাস সিলিন্ডার, এবং স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর অধিকার থেকে বঞ্চিত। সরকার যদি ন্যূনতম এই পরিষেবা না দিতে পারে, তাহলে সরকার বদলে ফেলুন।”


More Stories
বারাসাতে মিছিল কি তৃণমূলের শেষের শুরুর ইঙ্গিত ?
রাজ্যসভায় নীতিশ, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী কে এবার?
লাল প্রতীক এখন সবুজ, প্রতীক উর আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূলে