Home » টানা ৬ দিন সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন, পাকিস্তানের গুলির পাল্টা জবাব ভারতের

টানা ৬ দিন সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন, পাকিস্তানের গুলির পাল্টা জবাব ভারতের

সময় কলকাতা ডেস্ক:- গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ের বৈসরনে পর্যটকদের উপর হামলা চালায় জঙ্গিরা। বেছে বেছে হিন্দু পর্যটকদের টার্গেট করা হয়। মৃত্যু হয় ২৬ জনের। হামলার নিন্দা করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে। পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর বিশ্বমঞ্চে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে পাকিস্তান। সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত-সহ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একাধিক কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে ভারত। এই পরিস্থিতিতে লাগাতার সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে সীমান্তে গুলি চালাচ্ছে পাক সেনা। পহেলগাঁও জঙ্গি হামলাকে কেন্দ্র করে সীমান্তের দুই পারে উত্তেজনা চরমে।

বারবার নিয়ন্ত্রণরেখায় টানা গুলি চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। মঙ্গলবারের পর বুধবারও সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে পাক সেনার বিরুদ্ধে। প্রতিবারই ভারতের তরফে দেওয়া হয়েছে যোগ্য জবাব। বুধবার সেনার তরফে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার ভোর পর্যন্ত সীমান্তবর্তী নৌসেরা, সুন্দেরবানি, আখনুর সেক্টরে এলোপাথাড়ি বিনা প্ররোচনায় গুলি চালাতে থাকে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। এর পর পাকিস্তানকে গুলির মাধ্যমেই মসৃণ জবাব দেওয়া হয় ভারতীয় সেনার তরফে।

গত সোমবার রাতেও কাশ্মীরের কুপওয়াড়া ও বারামুলা সেক্টরে বিনা প্ররোচনায় গুলি চালিয়েছিল পাকিস্তান। তার আগে হামলা চলে পুঞ্চে। এই হামলায় সেনার তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, পাকিস্তান সিমলা চুক্তি বাতিল করে শান্তি প্রক্রিয়া বিঘ্নিত করলে ভারতেরও দায় নেই তা বজায় রাখার।

পাকিস্তানের তরফে এভাবে গুলি চালানোর ঘটনায় অনেকেই মনে করছেন, উপত্যকায় সেনার তৎপরতা শুরু হওয়ার পর জঙ্গিদের নিরাপদে পাকিস্তানে ফিরিয়ে নিতেই এই কৌশল নিয়েছে পাক সেনা। সীমান্তে ভারতীয় সেনাকে গোলাগুলিতে ব্যস্ত রাখা যাতে সেনার সামান্য অসতর্কতায় জঙ্গিরা বর্ডার পেরিয়ে অধিকৃত কাশ্মীরে ফিরে যেতে পারে। এই বিষয়টি মাথায় রেখে সতর্ক রয়েছে ভারতীয় সেনাও। ইতিমধ্যেই, পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার জবাব কখন, কীভাবে দেওয়া হবে, তার সিদ্ধান্ত নিতে সেনাবাহিনীকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

About Post Author