Home » অপারেশন সিঁদুর ‘গর্বের বিষয়’, মন্ত্রিসভার বৈঠকে জানালেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

অপারেশন সিঁদুর ‘গর্বের বিষয়’, মন্ত্রিসভার বৈঠকে জানালেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

সময় কলকাতা ডেস্ক:- অপারেশন সিঁদুরের সাফল্য নিয়ে গর্বিত, মন্ত্রিসভার সদস্যদের জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জঙ্গিদের যোগ্য জবাব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেশবাসীকে দিয়েছিলেন কিছুদিন আগে। জানিয়ে দিয়েছিলেন, জঙ্গিদের খুঁজে খুঁজে মারা হবে। সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পর নিজের অনুভূতি ভাগ করে নিলেন সকলের সঙ্গে। বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সামরিক অভিযানের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সূত্রের খবর, সেসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই অভিযান ছিল দেশের জন্য গর্বের মুহূর্ত। একটিও ভুল হয়নি। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী হয়েছে। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, পহেলগাঁও হামলার যোগ্য জবাব হিসেবে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ৯টি জঙ্গি ঘাঁটিতে ভারতীয় সেনার হামলা সম্পূর্ণ সফল হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে আসে সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব এবং প্রস্তুতির বিষয়টিও। তিনি বলেন, সেনা এই অভিযান পরিচালনা করেছে চূড়ান্ত নিখুঁতভাবে, আগেভাগে করা সূক্ষ্ম পরিকল্পনা মেনেই।

সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, এই অপারেশনের প্রতিটি ধাপ এতটাই নিখুঁতভাবে পরিচালিত হয়েছে যে এতটুকু এদিক ওদিক হয়নি। যেভাবে টার্গেট করা হয়েছিল, সাজানো হয়েছিল পুরোটা, সেভাবেই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। ভারতীয় সেনা অপারেশন সিঁদুর সফলভাবে শেষ করার পরই দিল্লিতে তৎপরতা শুরু হয়েছে। সেনার অপারেশনের পর তড়িঘড়ি মন্ত্রিসভার বৈঠক ডাকেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

এদিকে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরেই রাষ্ট্রপতিভবনে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মু্র্মুর সঙ্গে সাক্ষাত্ করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন সেখানে। এদিকে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আবার সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রী, মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবদের নিয়ে বৈঠক করেন।

বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনে সর্বদল বৈঠকও ডাকে কেন্দ্র। অপারেশন সিঁদুর নিয়ে ওই বৈঠকেই বিরোধীদের বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হবে। পহেলগাঁও হামলার ঠিক ১৫ দিনের মাথায় মঙ্গলবার রাতে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিঘাঁটিগুলিতে ভয়াবহ প্রত্যাঘাত হেনেছে ভারত। পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ৯ জায়গায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ভারতীয় সেনা। হামলার জেরে ৮০ জনেরও বেশি জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। লস্কর-ই-তৈবা, জইশ-ই-মহম্মদ-সহ একাধিক জঙ্গির আঁতুড় ঘর গুড়িয়ে দেওয়া হয় অপারেশন সিঁদুরের মাধ্যমে। ভারত আন্তর্জাতিক মহলে একটি কৌশলগত বার্তা দিতে চেয়েছে-সীমান্তপারে সন্ত্রাস মদতদাতাদের আর ছাড় দেওয়া হবে না। আর সেই বার্তা পৌঁছেছে বলেই মনে হচ্ছে।

About Post Author