সময় কলকাতা ডেস্ক:- প্রকাশ্যে এল আমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট। ১২ জুন আমেদাবাদ থেকে লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান বিমানবন্দরের বাইরে জনবসতির উপর আছড়ে পড়েছিল। সব মিলিয়ে মারা গিয়েছিলেন ২৬০ জন। ওই ঘটনার তদন্ত করে প্রাথমিক ভাবে ১৫ পাতার একটি রিপোর্ট পেশ করেছে এয়ার অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো। দুর্ঘটনার ঠিক আগের মুহূর্তে কী কী হয়েছিল, তারই বিবরণ রয়েছে সেই রিপোর্টে।
ফ্লাইট লিফ্ট-অফের মাত্র ৩ সেকেন্ডের মধ্যে বিমানের ২টি ইঞ্জিনের সঙ্গেই জ্বালানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। একটি ইঞ্জিনের সঙ্গে জ্বালানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার মাত্র ১ সেকেন্ড পরেই অন্য ইঞ্জিনটির সঙ্গেও জ্বালানি সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এমনটাই লেখা হয়েছে ওই রিপোর্টে। ইঞ্জিনের সঙ্গে জ্বালানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া নিয়ে দুর্ঘটনার ঠিক আগে দুই পাইলটের মধ্যেও কথা হয়েছে। একজন জিজ্ঞেস করছেন, কেন ইঞ্জিনের সঙ্গে ফুয়েল কাটঅফ করা হলো, অন্যজন উত্তর দিচ্ছেন যে, তিনি এই কাজ করেননি। ফলে জ্বালানির সঙ্গে ইঞ্জিনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া কি পাইলটের ভুল, নাকি সিস্টেম ম্যালফাংশান সেটা খুঁজছেন তদন্তকারীরা।
জানা গিয়েছে ওই বিমানটির ও়ডার প্রয়োজনীয় শংসাপত্র ছিল। সামান্য কিছু বিষয়ে প্রশ্ন থাকলেও সেটার সঙ্গে ফুয়েল কন্ট্রোলের কোনও যোগাযোগ নেই। এমনকী, ওই বিমানে আগে কখনও ফুয়েল কাটঅফ সুইচের সমস্যা সামনে আসেনি। যদিও একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১৮ সালে ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) ফুয়েল সুইচ কন্ট্রোল ডিজাইন নিয়ে সতর্ক করেছিল। ২০১৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর একটি স্পেশাল বুলেটিনে এফএএ জানিয়েছিল ফুয়েল কন্ট্রোল সুইচ লকিং নিয়ে কিছু সমস্যা দেখা গিয়েছে।
ফুয়েল কন্ট্রোল সুইচ লকিং নিয়ে কিছু নির্দেশিকা দিয়েছিল বোয়িং। তবে সেগুলো অপশনাল অ্যাডভাইসারি ছিল, বাধ্যতামূলক ছিল না। রিপোর্ট অনুযায়ী, এয়ার ইন্ডিয়া ওই চেকিং করেনি। ২০১৯ ও ২০২৩ সালে বিমানটির থ্রটল কন্ট্রোল মডিউল পাল্টানো হয়।
ব়্যাম এয়ার টার্বাইন বা আরএটি, বিমানে পাওয়ার ফেলিওর হলে এটি চালু হয়। দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানেও টেকঅফের কিছুক্ষণ পরেই আরএটি অ্যাক্টিভেট হয়েছিল। তদন্তকারীরা মনে করছেন, এয়ার ইন্ডিয়ার ওই বিমানে পাওয়ার ফেলিওর হয়ে থাকতে পারে।


More Stories
কলকাতায় পেট্রোলের দাম লিটারে ৪ পয়সা কমল, ডিজেল বাড়ল ৯৪ পয়সা
পুলওয়ামা হামলার মাস্টারমাইন্ড হামজা বুরহান খ*তম , কে এই হামজা?
ককরোচ জনতা পার্টির এক্স হ্যান্ডেল নিষিদ্ধ!