Home » ডার্বির নিয়ে হোমওয়ার্ক সারা, মোহনবাগানকে সাফল্য এনে দেওয়াই লক্ষ্য রবসনের

ডার্বির নিয়ে হোমওয়ার্ক সারা, মোহনবাগানকে সাফল্য এনে দেওয়াই লক্ষ্য রবসনের

 

সোমবার  কলকাতাতে এসেছিলেন। মঙ্গলবার বিকেলে অনুশীলন শুরু করে দিলেন ব্রাজিলিয়ান তারকা রবসন রবিনহো।

বেশ কয়েক মাস প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের মধ্যে নেই। ফলে দ্রুত ম্যাচ ফিট হতে হবে। এসিএলের আগে দিন ১৫ সময় আছে। এরমধ্যে হোসে মোলিনার সেট আপে নিজেকে মানিয়ে নিতে হবে। রবসন কিন্তু স্পষ্ট করে জানিয়ে দিলেন, আমি ব্রাজিলে অনুশীলনের মধ্যেই ছিলাম। এসিএলের আগে প্রস্তুতির সময় পাবো। পরের রাউন্ডে যোগ্যতা অর্জন করতে পারব।

 

দল নিয়ে রবসন বলেন, আমাকে মোহনবাগান বেছে নিয়েছে, মোহনবাগান বড় ক্লাব, আমি মোহনবাগানকে বেছে নিইনি। এই ক্লাবে খেলার সুযোগ পেয়ে আমি সম্মানিত। সমর্থকদের প্রত্যাশা পূরণ করার চেষ্টা। ক্লাবের হয়ে ট্রফি জেতাই আমার লক্ষ্য।

কলকাতা মানেই ডার্বি। কলকাতায় আসার আগে ডার্বি নিয়ে যে হোমওয়ার্ক করে এসেছেন সেটা বুঝিয়ে দিলেন। বরসনের কথায়, আমি ব্রাজিলে থাকলেও মোহনবাগানের ম্যাচ দেখেছি। ডুরান্ড ডার্বি দেখেছি। প্রাক্তন কোচ প্রতিপক্ষ দলে আছেন।

এর আগে নেইমারের বিরুদ্ধে খেলেছেন। মাঠে প্রতিপক্ষ হলেও মাঠের বাইরে নেইমার কেমন মানুষ? সেটা অকপটে জানালেন রবসন। তাঁর কথায়, নেইবার খুব প্লেয়ার। ওর বিরুদ্ধে খেলা দারুন বিষয়। খেলা শেষে ওর সঙ্গে কথা বলেছি। ও মানুষ হিসেবে খুব ভালো। আমি ভাবিনি ওর বিরুদ্ধে খেলব ।এবার আমার লক্ষ্য এই ক্লাবকে সাফল্য এনে দেওয়া।মেসি ও রোনাল্ড উভয়ের খুব ভালো। আমি রোনাল্ডোকে ফলো করি।

দিমিত্রি, কামিংস, ম্যাকলারেনের মতো ফুটবলার আছেন ফলে মোহনবাগানের ফরোয়ার্ড লাইনে প্রতিযোগিতা অনেক। এই প্রসঙ্গে রবসন বলেন, আমি সামনে খেললে গোল করতে পছন্দ করি। কিন্তু পিছন থেকে খেললে গোলের পাস দিতে পছন্দ করি। অনুশীলনে আমি সেরাটা দেব, কোচ পছন্দ করবে কে খেলাবে কে খেলবে না। এটা কোচ জানে। আমাকে কোথায় খেলানো হবে সেটা কোচ অনুশীলনে দেখে ঠিক করবে ।

বিশ্বকাপে দীর্ঘদিন ধরে সাফল্য নেই ব্রাজিলের। নিজের দেশের ফুটবল নিয়ে রবসন বলেন, আমাদের দেশে ভালো ফুটবলার আছে কিন্তু জাতীয় দলের জন্য অনুশীলন করার সময় পায় না। আশা করি পেরের বিশ্বকাপে ভালো খেলবে আমাদের দেশ, নেইমারকে এখনও কেন খেলান হচ্ছে না সেটা কোচ বলতে পারবেন। এটা ভালো দেশের বাইরে কাউকে কোচ( আনসেলোত্তি) করা হয়েছে। ওনার কোচিংয়ে ভালো হবে।

বাংলা ভাষা যেমন অজানা নয়, তেমনই কলকাতায় এসেই মিষ্টির খোঁজ শুরু রবসনের। মোহনবাগানের নয়া বিদেশি বলেন, বাংলাদেশে খেলায় আমি কিছু বাংলা জানি। চলো চলো, ভালো। আমি স্পাইসি খাবার খাই না। বিরিয়ানি খেতে ভালো লাগে, তবে সেটা স্পাইসি নয়। মিষ্টি খেতে ভালো লাগে। যুবভারতী খেলাটা দারুন। ভক্তদের সামনে খেলাটা , ওটা দায়িত্ব বৃদ্ধি করে।।

About Post Author