Home » পুলিশের উর্দি পরে সিভিক ভলেন্টিয়ারের দাপাদাপি

পুলিশের উর্দি পরে সিভিক ভলেন্টিয়ারের দাপাদাপি

Oplus_131072

দীপ সেন ও পুরন্দর চক্রবর্তী, সময় কলকাতা : বঙ্গে ভোট দরজায় কড়া নাড়ছে। নির্বাচন কমিশন পুলিশ প্রশাসনের খোল নলচে বদলে ফেলে সুষ্ঠ নির্বাচন করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। আর এই সময়  পুলিশের উর্দি পরে সিভিক ভলেন্টিয়ারের দাপাদাপি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বারাসাতে। বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন বিজেপি নেতা রাজু ব্যানার্জী। পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিক অবশ্য বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।

সিভিক ভলেন্টিয়ার নিয়ে অভিযোগ নতুন নয়।সিভিক ভলেন্টিয়ার পুলিশের অংশ নয় এবং পুলিশ প্রশাসন কখনোই সরকারিভাবে সিভিক ভলেন্টিয়ারকে তাদের অঙ্গ হিসাবে মনে করে না। তথাপি সিভিক ভলেন্টিয়ারদের একাধিক কর্মকাণ্ড বারবার বঙ্গের পুলিশ প্রশাসনকে বারবার অস্বস্তিতে ফেলেছে। এরকম ঘটনার প্রকৃষ্ট উদাহরণ, আরজিকর কাণ্ডে খুন ও ধর্ষণে সিভিক ভলেন্টিয়ারের সরাসরি দোষী সাব্যস্ত হওয়া। সিভিক ভলেন্টিয়ারের একাধিক কর্মকাণ্ড বিগত দিনে খবরের শিরোনামে এসেছে এবং পুলিশ বারবার সিভিক ভলেন্টিয়ারের দুষ্কর্মের দায় দায়িত্ব নিজেদের কাঁধ থেকে ঝেড়ে ফেলেছে। অথচ আশ্চর্যজনকভাবে বিধানসভা নির্বাচন চলাকালীন আবহের মধ্যে বারাসাতে উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসকের দফতর সংলগ্ন এলাকায় জনৈক সিভিক ভলেন্টিয়ারকে দেখা গেল পুলিশের উর্দি পরে ঘুরে বেড়াতে দেখা গিয়েছে। তাঁকে নিয়ে সাধারণ জনসাধারণের একাধিক আপত্তি রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে সাধারণ মানুষকে ধমকানো চমকানোর অভিযোগ রয়েছে এই “উদ্ধত ” সিভিক ভলেন্টিয়ার কে। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে সেই সিভিক ভলেন্টিয়ার নাম মহিনূর আলী। মধ্যমগ্রামের বিজেপি প্রার্থী অনিন্দ্য রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, এরকম অনাচার নতুন নয় এবং তিনি আরজিকর কাণ্ডের উদাহরণ টেনে এনেছেন। এই বিষয়ে বারাসাতের সাব ডিভিশনাল পুলিশ অফিসার বিদ্যাগড় অজিঙ্ক আনন্ত জানান, বিষয়টি তাঁর চোখে পড়ে নি। তবে অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হলে উপযুক্ত ব্যবস্থা (স্টেপ) নেওয়া হবে।।

About Post Author