Home » “বয়সে বড় হলেই” : মোহনবাগানকে কটাক্ষ ইস্টবেঙ্গল কর্তার

“বয়সে বড় হলেই” : মোহনবাগানকে কটাক্ষ ইস্টবেঙ্গল কর্তার

Oplus_131072

পুরন্দর চক্রবর্তী, সময় কলকাতা, ৮ অগাস্ট : বারাসাতে ইস্টবেঙ্গল মোহনবাগানের কলকাতা লিগের ডারবি এখন অতীত হলেও চর্চা চলছেই । একথা এখন আলোচনা ঊর্ধ্বে যে, ইস্টবেঙ্গলের অল্পবয়সী ও অনামী ফুটবলাররা সোমবার বড় ম্যাচে বোতল বন্দি করেছে মোহনবাগানের বয়সে বড় ও বড় নামের তারকাদের। খেলা ১-১ গোলে শেষ হলেও ইস্টবেঙ্গলের তরুণ ফুটবলারদের সাফল্যকে তাদের জয় বলেই মনে করা হচ্ছে।সোমবার বারাসাত স্টেডিয়ামে মোহনবাগান তাদের জাতীয় ফুটবলার সমৃদ্ধ সেরা দলকে নামিয়ে ছিল ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে বদলা নেওয়ার লক্ষ্যে। ডুরান্ড ক্লাব ফাইনালে ১-৪ গোলে হেরে যাওয়ায় মোহনবাগানের লক্ষ্য ছিল লিগ ডার্বি বড় ব্যবধানে জিতে সমর্থকদের পুরনো ক্ষত ভুলিয়ে দেওয়া । সামনে ছিল ইস্টবেঙ্গলের জুনিয়র দল যাদের অনেকের বয়স ২২ থেকে ২৩ এর মধ্যে এবং এদের ইস্টবেঙ্গল সিনিয়র দলের জার্সি হয়ে খেলার অভিজ্ঞতা কার্যত নেই। কেউই আইএসএল খেলেননি। একদিকে মোহনবাগানের জার্সিতে রাহুল ভেকের মত প্লেয়ার যার বয়স ৩৫ অথবা শুভাশিস বোস যার বয়স ২৯ সহ ৬-৭ জন জাতীয় দলের তারকা অন্যদিকে ইস্টবেঙ্গলের ডিফেন্সে ছিলেন ২৩ বছরের অঙ্কন ভট্টাচার্য বা ফরওয়ার্ড লাইনে ২২ বছরের আকাশ হেমব্রম বা সোমবারের ম্যাচের তারকা হয়ে ওঠা ২২ বছরের মোহাম্মদ বিলাল। কিন্তু খেলার মাঠে বয়স ও অভিজ্ঞতা এবং কাগজে-কলমে এগিয়ে থাকাই যে শেষ কথা নয় তা প্রমাণ করে দিয়েছে ইস্টবেঙ্গলের তরুণ খেলোয়াড়রা। এ নিয়ে ইতিমধ্যেই সামাজিক গণমাধ্যমে ঝড় উঠেছে। ট্রোলের শিকার হচ্ছে মোহনবাগান।সামাজিক গণমাধ্যমে সবচেয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ কটাক্ষ করেছেন ইস্টবেঙ্গলের ফুটবল সচিব সৈকত গাঙ্গুলী। সৈকত গাঙ্গুলীর একটি পোস্ট ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়ে গেছে যার মর্ম বয়সে বড় হলেই খেলার মাঠে বড় হওয়া যায় না।

ইস্টবেঙ্গলের ফুটবল সচিব লিখেছেন, ” আজ ছোটদের বড়দের সঙ্গে খেলতে পাঠানো হয়েছিল।

উদ্দেশ্য খুবই পরিষ্কার ছিল—বড়দের দেখে শিখবে। কিন্তু আজকালকার ছেলেপুলে তো!কথা শোনে কোথায়?
বলা হয়েছিল, “বড়দের সম্মান করবে।”ওরা সম্মান তো করল…কিন্তু সম্ভ্রম করতে ভুলে গেল!
তারপর যা হওয়ার তাই হল।”

সৈকত গাঙ্গুলী মোহনবাগানের সিনিয়র প্লেয়ারদের কটাক্ষ করে এও লিখেছেন,”আমরা ভেবেছিলাম ছোটরা আজ কিছু শিখে ফিরবে।
খেলা দেখে মনে হল—
ক্লাসটা ঠিকই হয়েছিল, শুধু টিচার আর স্টুডেন্ট কে ছিল সেটা নিয়ে একটু কনফিউশন হয়ে গেছে!
যাই হোক, ছোটদের বেশি প্রশংসা করা উচিত নয়। মাথা ঘুরে যেতে পারে।
কাল থেকে আবার প্র্যাকটিস -এ মন দাও।
আর বড়দের জন্যও একই পরামর্শ। বয়সে বড় হলেই  যে মাঠেও বড় হওয়া যায়—এমন কোনও নিয়ম এখনও ফিফা করেনি। ”

নিজের দলের প্রশংসায় বিপক্ষকে এরকম বিদ্রুপবানে জর্জরিত করা খোলা চিঠি সাম্প্রতিককালে ডার্বি ম্যাচ ঘিরে বিরল যা ফেসবুকে ইতিমধ্যেই ভাইরাল।।

About Post Author