রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগামী ৪ নভেম্বর থেকে বাড়ি বাড়ি এনুমারেশন ফর্ম নিয়ে যাবেন বিএলও-রা। কিন্তু তার আগেই এসআইআর নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হল কলকাতা হাইকোর্টে। দাবি, আদালতের নজরদারিতে হোক গোটা প্রক্রিয়া ! মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের ডিভিশন বেঞ্চ। গত ২৭ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গ সহ ১২ রাজ্যে ঘোষণা করা হয়েছে এসআইআর। কিন্তু স্বাভাবিকভাবেই দেখা যাচ্ছে, বাংলাতেই এই ইস্যু নিয়ে হইচই সবচেয়ে বেশি।
আর তার জল গড়াল উচ্চ আদালত পর্যন্ত। মামলাকারী এসআইআর নিয়ে একাধিক দাবি করেছেন। তার মধ্যে অন্যতম, আদালতের নজরদারিতে এসআইআর প্রক্রিয়া হোক। মামলাকারী এও চান, এসআইআরের সময়সীমা বৃদ্ধি করা হোক। পাশাপাশি এও দাবি, কেন এসআইআর করা হচ্ছে ? এসআইআর করার প্রয়োজন কী ? তা বিস্তারিতভাবে আদালতের কাছে জানাক জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এছাড়া ২০০২ সালের ভোটার তালিকা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করুক কমিশন, এও আর্জি জানানো হয়েছে। গত সোমবার বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়া চালু হলেও এখনও এসআইআর নিয়ে আমজনতার মনে হাজার হাজার প্রশ্ন। তৃণমূলের দাবি, ভোটে ফায়দা নিতে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার উদ্দেশ্যেই ছাব্বিশের আগে এসআইআর। এই নিয়ে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি।
২০০২ সালে বাংলায় শেষবার এসআইআর হয়েছিল। সেই অনুযায়ী এবারের এসআইআরে ওই বছরের ভোটার তালিকাকে গুরুত্ব দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যাঁদের নাম সেই বছরের তালিকায় রয়েছে, তাঁদের আর কোনও অতিরিক্ত নথি দেখাতে হবে না বলে জানানো হয়েছে। তা সত্ত্বেও আমজনতার মনে ভয় যদি নাম বাদ যায়, কী হবে? এরই মাঝে শুক্রবার কলকাতা হাই কোর্টে এসআইআর নিয়ে মামলা দায়েরের অনুমতি চান মামলাকারী। তাতেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল জানান, অনুমতির কোন প্রয়োজন নেই, মামলা দায়ের হলে শুনানি হবে। জানা গিয়েছে, দায়ের হয়েছে মামলা। আগামী সপ্তাহেই শুনানির সম্ভাবনা। এখন প্রশ্ন হল, আদালতের এই মামলার রায় কি এসআইআর প্রক্রিয়ায় বড় প্রভাব ফেলবে? নজর বিচারপতির রায়ের দিকেই।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
বকেয়া ডিএ-র সুখবর : কবে টাকা পাবেন সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা?
এবারের ভোট বাংলার আত্মাকে রক্ষা করার লড়াই, ব্রিগেডে বললেন প্রধানমন্ত্রী