Home » জামাইকে খাওয়ানোর নাম করে মাংস মদের সঙ্গে খাওয়ার কারচুপি ফাঁস, শাশুড়ির প্রহারে শ্বশুর হাসপাতালে

জামাইকে খাওয়ানোর নাম করে মাংস মদের সঙ্গে খাওয়ার কারচুপি ফাঁস, শাশুড়ির প্রহারে শ্বশুর হাসপাতালে

Oplus_131072

সানি রায়,সময় কলকাতা, ২৩ নভেম্বর : “বারেবারে ঘুঘু তুমি খেয়ে যাও ধান “-স্ত্রীর হাতে ধরা পড়েই গেলেন মদ্যপ ভরত রায়। জামাইকে মাংস খাওয়াবেন বলে স্ত্রীকে মিথ্যে কথা বলেছিলেন।  মুরগি এনে বাড়ি থেকে গভীর রাতে পাড়ার অনুষ্ঠান দেখবেন বলে বেরোন।অথচ নিজেই সূরা সহযোগে মাংস খাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। স্ত্রীর হাতে ধরা পড়ে মদ মাংস খাওয়া হয় নি তার। উল্টে  কারচুপি ফাঁস হতেই ক্ষিপ্ত স্ত্রীর হাতে মার খেয়ে মাথা ফাটিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হল ভরত রায়কে।  উত্তরবঙ্গের ধুপগুড়ি এলাকার ঘটনা।

জামাইকে মুরগির মাংস খাওয়ানোর নাম করে প্রায়শই বাড়ি থেকে মাংস নিয়ে যেতেন খট্টিমারির বাসিন্দা শ্বশুর ভরত রায়। আর নিজেই সেই মাংস মদ সহযোগে খেয়ে নিতেন তিনি।  জামাই মাংসের কথা বিন্দু বিসর্গ জানতে পারতেন না। তারপরে মদ মাংস খেয়ে বাড়িতে এসে মদ্যপ অবস্থায় ঝামেলা পাকাতেন তিনি। এরকমই চলে আসছিল।

বরাবরের মতো বাড়িতে গুলগল্প দিয়ে মদের আসরে তৃপ্তি লাভ করবেন করেছিলেন ভরত রায়।  পাড়ার একটি অনুষ্ঠান চলাকালীন নিজে মদ ও মাংস খাবেন ঠিক করেন। বাড়িতে স্ত্রীকে বলে যান জামাইকে মাংস খাওয়াতে যাচ্ছেন। কিন্তু বিধি বাম।  ভরত রায় অবশেষে স্ত্রীর কাছে হাতেনাতে ধরা পড়ে যায়। ভরত-স্ত্রী পদমতি পাড়ার অনুষ্ঠানে গিয়ে দেখেন জামাইয়ের টিকি নেই। স্বামী যে মদিরা সহযোগে মাংস অনুষঙ্গ হিসেবে ব্যবহার করবেন বলে নিয়ে এসেছেন ধরতে পেরে ক্ষেপে ওঠেন পদমতি। স্বামীর এতদিনের গুলগল্পর কারচুপি ফাঁস হয়ে যায়। পাশাপাশি মদ্যপ স্বামীর দীর্ঘদিনের অত্যাচারের যন্ত্রণা তাকে ক্ষেপিয়ে তোলে। রাগে ক্ষোভে ফেটে পড়ে হাতুড়ির বাড়ি মারেন স্বামীর কপালে। প্রহারের মাত্রা এমন ছিল যে ধুপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করতে হয় ভরত রায়কে। সমস্ত ঘটনা জেনে চোখ ছানাবড়া হয়ে যায়  চিকিৎসক দেবস্মিতা সরকারের। তবে তিনি জানিয়েছেন যে, প্রাথমিক চিকিৎসার পরে রোগীর অবস্থা স্থিতিশীল।।

আরও পড়ুন ধর্ষণকাণ্ডের পরে এবার মাদকপাচারে ধৃত সিভিক ভলেন্টিয়ার

About Post Author