Home » সিদ্ধার্থশংকর রায়ের ভুয়ো বংশধরের পাল্লায় পড়ে ৩৭ লক্ষ টাকা ছুমন্তর

সিদ্ধার্থশংকর রায়ের ভুয়ো বংশধরের পাল্লায় পড়ে ৩৭ লক্ষ টাকা ছুমন্তর

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৮ নভেম্বর : চিত্তরঞ্জন দাস বা সিদ্ধার্থশংকর রায়ের মধ্যে যে পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে তা নিয়ে সন্দেহর অবকাশ নেই।  তবে কলকাতার জনৈক কৃষ্ণেন্দু দাস যে সেই পরিবারের মানুষ নন, সেকথা জানতেন না  রাজারহাট নিউটাউন এলাকার পূর্ব বেড়াবেড়ির বাসিন্দা সদরুল আলম মিঠু। উল্টে, কৃষ্ণেন্দু তাঁকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছিলেন তিনি চিত্তরঞ্জন দাস- সিদ্ধার্থশংকর রায়ের  বংশধর।ইমারতি দ্রব্যের সম্ভ্রান্ত ব্যবসায়ী ভরসা করেছিলেন কৃষ্ণেন্দু দাসের কথায়। ভরসা করেই প্রতারিত হতে হয় সদরুল আলমকে। ভয়ানকভাবে মূল্য দিতে হয়। ৩৭ লক্ষ টাকা ছুমন্তর হয়ে যায় ঠগের পাল্লায় পড়ে – এমনটাই অভিযোগ ইমারতি দ্রব্যের ব্যবসায়ীর।

আরও পড়ুনমোহনবাগানকে দুবছরের জন্য ব্যান, কড়া নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি মোটা জরিমানা

ভবিষ্যতে বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশনার হবেন  আর এ মুহূর্তে তার টাকার দরকার জানিয়ে কৃষ্ণেন্দু দাস সদরুল আলমের কাছে দফায় দফায় মোটা অংকের টাকা নেন। ভবিষ্যতে প্রভাবশালী হয়ে উঠবেন বঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর  বংশধর। তখন সুদে-আসলে টাকা ফেরত পাবেনই আর ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠবেন প্রভাবশালীর  এই ভরসায় ৩৭ লক্ষ টাকা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অছিলায় হাতিয়ে নেন  কৃষ্ণেন্দু দাস। পরে কৃষ্ণেন্দুর টিকি ছোঁয়া দায় হয়ে ওঠে সদরুলের। তখন তিনি খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারেন যা তিনি জেনেছেন, তা সম্পূর্ণ ভুল। ফলশ্রুতি, ভুয়ো প্রভাবশালীর পাল্লায় পড়ে ৩৭ লক্ষ টাকা ছুমন্তর হয়ে গেল ইমরাতি দ্রব্যের ব্যবসায়ীর। প্রতারিত ব্যবসায়ী নারায়ণপুর থানায় ও আদালতে অভিযোগ জানান। গ্রেফতার হয়েও জামিনে ছাড়া পেয়ে যান কৃষ্ণেন্দু দাস। এখন কৃষ্ণেন্দু দাস এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ ও তাঁর কাছে প্রতারণা করে হাফিস করা টাকা ফেরত পেতে মানবাধিকার কমিশনের দ্বারস্থ ইমারতি দ্রব্যের ব্যবসায়ী।।

৩৭ লক্ষ টাকা ছুমন্তর #নিউটাউন

About Post Author