সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৩ ডিসেম্বর : ২০২২ সালের ৪ এপ্রিল, জন্মদিনের পার্টিতে চোদ্দো বছরের মেয়েটিকে গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। সেখান থেকে বাড়ি ফেরার সময়েই সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। রক্তক্ষরণের ফলেই মৃত্যু হয় তার। মৃত্যুর পরেও প্রমাণ লোপাট করার চেষ্টা করা হয়। হাঁসখালি গণধর্ষণ কাণ্ড ঘিরে সাড়ে তিনবছরের বেশি সময় তদন্ত ও শুনানির পরে, হাঁসখালি গণধর্ষণ কাণ্ডে ৯ জন দোষীর প্রধান তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দিল রানাঘাট আদালত। সোমবারই হাঁসখালি গণধর্ষণকাণ্ডে ৯জনকে দোষী সাব্যস্ত করেছিল আদালত।
গণধর্ষণ কাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত হওয়া এবং ঘটনায় প্রধান অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত হওয়া তৃণমূল নেতার পুত্র সোহেল গয়ালি এবং আরও দুই দোষী সাব্যস্ত প্রভাকর পোদ্দার এবং রঞ্জিত মল্লিককে যাবজ্জীবনের সাজা দেওয়া হয়েছে। বাকিদের মধ্যে তৃণমূল নেতা সমরেন্দ্র গয়ালি, দীপ্ত গয়ালি এবং আরও এক জনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।হাঁসখালি গণধর্ষণ কাণ্ড রাজ্যে তোলপাড় ফেলেছিল যে ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছিল দুই নাবালকও। তাঁদের অবশ্য জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। অংশুমান বাগচী নামের আর এক দোষী সাব্যস্তকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক। তাঁর বিরুদ্ধে নির্যাতিতার পরিবারকে ভয় দেখানো, নাবালিকার দেহ শ্মশানে নিয়ে যেতে বাধ্য করা সহ একাধিক অভিযোগ ওঠে। সোমবার ৯ জন দোষীর মধ্যে ৭ জনই সাজা পেয়েছেন যাদের মধ্যে কঠোর সাজা মিলেছে ৩ জনের।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালে হাঁসখালিতে এক কিশোরীকে জন্মদিনের পার্টিতে ডেকে গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। শুধু তাই নয়, রক্তাক্ত অবস্থাতেই নির্যাতিতাকে ফেলে চম্পট দেয় অভিযুক্তরা। শুধু তাই নয়, প্রমাণ লোপাটের জন্য ঘটনার পর মৃতদেহ দাহ করে দেওয়া হয়! কোনওরকম ডেথ সার্টিফিকেট ছাড়াই সেই কাজ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। হাঁসখালি গণধর্ষণ কাণ্ড ঘিরে শোরগোল পড়ে রাজ্যজুড়ে। তিন বছর পরে সাজার ঘোষণার পরে স্বস্তি পেলেও আদালতে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায় খুন হওয়া নাবালিকার পরিবারকে।
আরও পড়ুনজনতা উন্নয়ন পার্টি গড়ে চাইছেন কী হুমায়ুন কবীর?
#হাঁসখালিগণধর্ষণকাণ্ড # হাঁসখালি গণধর্ষণ কাণ্ড


More Stories
দলীয় কর্মীদের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে বিপদ,সৌগত রায়কে লক্ষ্য করে উড়ে এল পচা ডিম
হর্ষ-বিষাদে পালিত ঈদ-উল-আযহা
অর্জুন সিংকে ‘চমকানো’ বনিকে কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরালো পুলিশ