সময় কলকাতা, ২২ জুন : ২০২৬-২৭ বর্ষের আর্থিক বাজেট পেশ করেছেন রাজ্যের নতুন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। সুবাতাস, খুশির হাওয়া বঙ্গের চা বাগানে।সিস্টার পক্ষে বাজেটে নতুন রাজ্য সরকারের ক্ষুদ্র চা চাষীদের নিয়ে ভাবনার প্রশংসা করা হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নতুন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে টি-ট্যুরিজম (চা পর্যটন) নীতিতে বদল এনে জমির বাণিজ্যিক ব্যবহারের সীমা ১৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে এবং চা শ্রমিকদের কল্যাণে ৩১৪ কোটি টাকা বরাদ্দের রূপরেখা ঘোষণা করা হয়েছে।আজ, ২২ জুন ২০২৬ তারিখে পেশ করা পূর্ণাঙ্গ রাজ্য বাজেটে চা শিল্প ও উত্তরবঙ্গের পর্যটন নিয়ে এই বড় সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়েছে। পূর্ববর্তী ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল টি-ট্যুরিজম পলিসি’-তে চা বাগানের মোট জমির ৩০ শতাংশ বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে বা পর্যটনের কাজে ব্যবহারের অনুমতি ছিল। পরিবেশ রক্ষা এবং চা উৎপাদনের ভারসাম্য বজায় রাখতে নতুন বাজেটে সেই ঊর্ধ্বসীমা কমিয়ে ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।৩১৪ কোটি টাকার বিশেষ তহবিল আশার আলো হয়ে দেখা দিয়েছে চা বাগানে।বন্ধ চা-বাগান পুনরায় চালু করতে এবং চা শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে কেন্দ্রীয় সরকারের ‘প্রধানমন্ত্রী চা শ্রমিক উৎসাহ যোজনা’-র (PM Cha Shramik Protsahan Yojana) আওতায় প্রায় ৩১৪ কোটি টাকা ব্যয়ের রূপরেখা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বলয়ের শ্রমিকদের বিভিন্ন কল্যাণমূলক প্রকল্প ও সুযোগ-সুবিধা তদারকি করার জন্য একটি নতুন টি ওয়ার্কার্স ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (Tea Workers Development Board) গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে।বিজয় গোপাল চক্রবর্তী ( ক্ষুদ্র চা চাষীদের কেন্দ্রীয় সংগঠন সিস্টার সভাপতি) নতুন অর্থবর্ষে চা শিল্প সংক্রান্ত নীতির প্রশংসা করে বলেছেন, ” আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি চা-পর্যটন কখনো চা-শিল্পের বিকল্প হতে পারে না।” নতুন সরকার চা চাষীদের ক্ষেত্রে দৃঢ় এবং মানবিক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন বলেই মনে করছে চা বাগান সংশ্লিষ্টমহল।


More Stories
বাজেট ও ক্ষুদ্র চা-চাষীদের স্বপ্ন
“সম্মানহানি” বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদদের! মহুয়ার পাশে কি অধীর?
“কংগ্রেসের হাত-ছাড়া ভুল ছিল”, বিস্ফোরক অনুব্রত দুষছেন আইপ্যাককে